• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন

তামিমের নেতৃত্বে বিসিবির প্রথম সভায় যেসব সিদ্ধান্ত হলো

Reporter Name / ৫৪ Time View
Update : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ মাত্র ছয় মাসের মাথায় ভেঙে দেওয়া হয়েছে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সর্বশেষ নির্বাচিত কমিটি। এমন সিদ্ধান্তের নেপথ্যে নির্বাচনে সরকারি হস্তক্ষেপ, ই-ভোটিং নিয়ে কারচুপি এবং বুলবুলের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের কথা জানিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। এরপর তামিম ইকবালকে অধিনায়ক করে ১১ সদস্যের অ্যাড-হক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম এখন নতুন ভূমিকায়। অক্টোবরে অনুষ্ঠিত বিসিবির সর্বশেষ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা থাকলেও অনিয়মের অভিযোগে তিনিসহ ক্রীড়া সংগঠকদের বড় একটি অংশ সরে দাঁড়ায়। বিসিবির অ্যাড-হক কমিটির সভাপতি হয়ে গতকাল (মঙ্গলবার) তার নেতৃত্বে প্রথম সভা হয়েছে। এরপর কমিটির সদস্য তানজিল চৌধুরীকে বিসিবির মুখপাত্র করার কথা জানিয়েছেন সভাপতি তামিম। বিসিবির নানা সিদ্ধান্তের ব্যাপারে গণমাধ্যমকে জানাবেন তানজিল।

প্রথম সভা শেষে নিজেদের নেওয়া সিদ্ধান্তের ব্যাপারে তানজিল বলেছেন, ‘ব্যাংকের সিগনেটরি (দাপ্তরিক কাজ পরিচালনায় আইনিভাবে অনুমোদিত ব্যক্তি) থাকতে হয়। ম্যানেজমেন্ট থেকে হেড অব ফিন্যান্স এবং সিইও থাকবেন। অন্য গ্রুপ থেকে আমাদের সভাপতি (তামিম) এবং ফিন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান থাকবেন (সিগনেটরি হিসেবে)।’

অ্যাড-হক কমিটির মেয়াদ তিন মাস, ওই সময়ের ভেতর তারা নতুন নির্বাচনের আয়োজন করবে। ফলে এর মধ্যে আইসিসি ও এসিসিতে (এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল) পদাধিকার বলে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন তামিম। তানজিল জানিয়েছেন, ‘আইসিসি এবং এসিসিতে প্রতিনিধিত্ব থাকতে হয় বোর্ড থেকে। আমাদের সভাপতি তামিম ইকবালকে মনোনীত করেছি। আইসিসি থেকে তারা আমাদের গাইড করেছেন, যেহেতু আমরা একটি অ্যাড-হক কমিটি, নির্বাচিত কমিটি না, তাই সিইও থাকলে ভালো হয়। সেটাও আজকে আমরা অনুমোদন করেছি।’

এ ছাড়া আগামী বুধবার বাংলাদেশে দুই ফরম্যাটের সিরিজ খেলতে আসবে নিউজিল্যান্ড। সেই সিরিজ ও লিগ্যাল কাউন্সিল নিয়ে তানজিল জানান, ‘নিউজিল্যান্ড সফরের প্রস্তুতি নিয়েও আমরা আপডেট নিয়েছি। আগামী সভায় বিস্তারিত আলাপ করব।’ একইভাবে লিগ্যাল কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত নিয়েও পরের সভায় আলোচনার কথা রয়েছে। সেই সভাও হবে বুধবার।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।