• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন

রাজশাহী বিভাগের ৫ জেলায় আজ থেকে হামের টিকাদান কর্মসূচি শুরু

Reporter Name / ৪৫ Time View
Update : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ আজ থেকে রাজশাহী বিভাগের ৫টি জেলায় শিশুদের জন্য তিন সপ্তাহব্যাপী বিশেষ হামের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। তুলনামূলক বেশি সংক্রমণপ্রবণ এলাকাগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
আজ সকাল ৯টায় রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার মাটিকাটা কমিউনিটি ক্লিনিকে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে এই টিকাদান কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক তার বক্তব্যে বলেন, “আজ থেকে শিশুদের জন্য তিন সপ্তাহব্যাপী বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হলো। এই কর্মসূচির আওতায় মোট ৫৬ হাজার ৬০০ জন শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।”
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, প্রথম দিনে মোট ২৭টি কেন্দ্রে এই টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে এবং আজ ৫ হাজার ৬০০ জন শিশুকে টিকা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। টিকাদান কেন্দ্রের সার্বিক পরিবেশ সম্পর্কে জেলা প্রশাসক বলেন, “কেন্দ্রগুলোতে সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে এবং অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে কার্যক্রমটি এগিয়ে যাচ্ছে। অভিভাবকরা নিজ উদ্যোগে তাদের শিশুদের কেন্দ্রে নিয়ে আসছেন। টিকাদান কর্মসূচি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া দেখা যাচ্ছে এবং এখন পর্যন্ত টিকা নিতে কারও কোনো অনীহা লক্ষ্য করা যায়নি। সব মিলিয়ে বেশ স্বতঃস্ফূর্তভাবেই এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।”
অনুষ্ঠানে রাজশাহীর সিভিল সার্জন ডা. এস আই এম রাজিউল করিম জানান, ৫ থেকে ৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে এই টিকা দেওয়া হবে। প্রথম দিনে গোদাগাড়ী উপজেলায় ৫ হাজার ৬৫০ জন এবং পৌরসভায় ৬২৮ জন শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। যেসব শিশু অন্তত ২৮ দিন আগে টিকা নিয়েছে, তাদেরও এই কর্মসূচির আওতায় পুনরায় টিকা দেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, পর্যায়ক্রমে জেলার প্রায় ৪০ হাজার শিশুর মধ্যে এই টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। আগামী তিন সপ্তাহ প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে এই কার্যক্রম চলবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।