• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন

সরকারের সিদ্ধান্তেই বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলতে পারেনি: বিসিবি পরিচালক

Reporter Name / ৫৯ Time View
Update : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ সরকারের সিদ্ধান্তের কারণেই বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলতে পারেনি। গতকাল (শনিবার, ৪ এপ্রিল) বোর্ড সভাশেষে এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক নাজমুল আবেদীন ফাহিম। তবে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করতে এরইমধ্যে চিঠি দিয়েছে বিসিবি। এদিকে জাতীয় দলের অধিনায়ক-কোচ ও ঘরোয়া ক্রিকেটসহ বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত এসেছে সভায়।

ম্যারাথন বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ের শুরু দেখে মনে হতে পারে মাঠের ক্রিকেটেই সমস্ত মনোযোগ বিসিবির। ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অধিনায়কদের বহাল রাখার পাশাপাশি মোহাম্মদ রফিককে কোচ করার ঘোষণাও এলো এদিন।

তবে ঘরে-বাইরে নানা চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে পরিচালকদের। বোর্ড সভা চলাকালেই যেমন পদত্যাগ করলেন পরিচালক ফাইয়াজুর রহমান। সংবাদ সম্মেলনেও তাই অক্রিকেটীয় আলাপেই যেতে হলো বারবার।

বিসিবি পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু বলেন, ‘আমাদের বেসিক্যালি যার যার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। যদি ভবিষ্যৎে কিছু হয় তাহলে অ্যাকচুয়ালি উই আর নট ওয়ারিড।’

তবু ঘুরেফিরে ক্রিকেটে ফিরতে চাইলেন পরিচালকরা। বিশ্বকাপে খেলতে না পারার প্রসঙ্গ থেকে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নের পদক্ষেপ, সব প্রশ্নেরই জবাব দিতে হলো তাদেরকে।

বিসিবি পরিচালক নাজমুল আবেদীন ফাহিম বলেন, ‘আমাদের হয়তো অন্য ধরনের চিন্তা ছিলো। তবে সরকার থেকে সিদ্ধান্ত চলে এসেছে নিরাপত্তাজনিত কারণে আমরা ভারতে যাবো না, আমরা শ্রীলঙ্কা যেতে পারি। তখন আমাদের সেটিই ফলো করতে হয়েছে। আমরা জানি বিশ্বকাপ ঘিরে তাদের সঙ্গে সম্পর্ক কিছুটা অবনতি হয়েছিলো, তবে আমরা আশা করছি উই উইল বি ব্রাইট দিস রিলেশনশিপ।’

সংকট কাটছে না ঘরোয়া ক্রিকেট নিয়েও। বর্তমান কমিটিকে বয়কট করা ক্লাবগুলো ফিরছে না মাঠে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আসর ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ আয়োজনের আগেও তাই বিকল্প ভাবনাও ভাবতে হচ্ছে বোর্ডকে।

বিসিবি মিডিয়া কমিটির পরিচালক ও চেয়ারম্যান মোকসেদুল কামাল বাবু বলেন, ‘সবগুলো ক্লাবই অংশগ্রহণ করবেন এবং আমরা সেটিই আশা করছি। কোনো ক্লাবই ক্রিকেটের বিপক্ষে নয়। শুধু আমাদের মধ্যে ভিন্ন মত থাকতে পারে। আমরা সবাই আশা করছি ক্রিকেটে তারা অংশগ্রহণ করবেন।’

এতকিছুর মধ্যেও আশার খবর জুলাই মাসেই নারী বিপিএল গড়াবে মাঠে৷ সেই সঙ্গে খেলোয়াড়দের জন্যেও পেনশনের খবর দিয়েছে বিসিবি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।