• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না অনির্দিষ্টকালের জন্য বিপিএল স্থগিতের সিদ্ধান্ত বিসিবির ২২ জানুয়ারি সিলেট থেকে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু তারেক রহমানের অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হতে পারে বিপিএল রাবিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু কাল, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা পদত্যাগ করেননি নাজমুল, মাঠে নামেননি ক্রিকেটাররা; বন্ধ স্টেডিয়ামের গেট নাজমুলকে বিসিবির শোকজ, বার্তা দিলো ক্রিকেটারদেরও প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের সাক্ষাৎ বিকেলে বিসিবি পরিচালকের পদত্যাগ দাবি : সময় চেয়েছে বিসিবি, অনড় ক্রিকেটাররা ‘চূড়ান্ত আসন সমঝোতা’, ১১ দলের বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা আজ বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হলেন রুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাক

জকসুতে শিবির সমর্থিত প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয়

Reporter Name / ৩৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের ভিপি, জিএস, এজিএস প্রার্থীরা নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেছেন। বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাত ১১টা ৩০ মিনিটে কেন্দ্রীয় সংসদের ৩৮ কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড . কানিজ ফাতিমা কাকলী ।

ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে শিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের ভিপি রিয়াজুল ইসলাম ৫ হাজার ৫৬৪ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভিক জবিয়ান’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী এ কেএম রাকিব পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৮৮ ভোট। তাদের দুজনের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ৮৮০।

সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে শিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের আব্দুল আলিম আরিফ পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৭০ ভোট। তার নিকটতম ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভিক জবিয়ান প্যানেলের জিএস প্রার্থী খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ২ হাজার ২০৩ ভোট। ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের জিএস প্রার্থী থেকে ৩ হাজার ২৬৭ ভোট বেশি পেয়েছেন শিবির সমর্থিত প্রার্থী।

অপরদিকে এজিএস পদে শিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের মাসুদ রানা পেয়েছেন ৫ হাজার ০০২ ভোট। তার নিকটতম ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভিক জবিয়ান প্যানেলের এজিএস প্রার্থী বিএম আতিকুর তানজিল পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৬৮ ভোট।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।