• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি ২২ বছর পর রাজশাহীতে যাচ্ছেন তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা

‘ম্যাডাম আমাকে মিনু বলে ডাকতেন’

Reporter Name / ৪৩ Time View
Update : বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫
SPTT

প্রিয়জন ডেস্কঃ ‘ম্যাডাম আমাকে মিনু বলে ডাকতেন। স্নেহ করতেন অনেক বেশি, নিঃসন্দেহে আমরা একজন অভিভাবক হারালাম।’ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ১০টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভিডিওসহ এক পোস্টে এমন আবেগঘন কথা লেখেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু।

মিনুর নিজস্ব ফেসবুকে পোস্ট করা ১ মিনিট ৫৮ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে বিভিন্ন সময়ের বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে কথোপকথন ছাড়াও স্মৃতিচারণ করেন। মিনু আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-২ সদর আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী।

ভিডিওটিতে বেগম খালেদা জিয়ার বিভিন্ন সময়ে তোলা ছবিগুলো উল্লেখ করে মিনু বলেন, ঘরে যতগুলো ছবি আছে, প্রায় ৪০-৫০টা ছবিই বেগম খালেদা জিয়ার। ম্যাডামের সেই স্মৃতি, রাজনৈতিক দল বিএনপি যখন করুণ অবস্থায়, আমরা তখন কয়েকজন তরুণ প্রাণ-নেতারা ম্যাডামের বাসায় গিয়ে অনেক অনুনয়-বিনুনয় করলাম রাজনীতিতে আসার জন্য। প্রায় সাড়ে ৯ মাইল দূরত্বে তার ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে বায়তুল মোকাররমের প্রোগ্রামে আমি পাশে ছিলাম।

তিনি আরও বলেন, আট দলের নেতৃত্ব নেওয়ার পর, একসঙ্গে আমাদের জাতীয় অনেক নেতৃবৃন্দ যখন বের হয়ে গিয়ে দলের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করলেন, ম্যাডাম তখন সুমহান মাথা উঁচু করে ছিলেন। আমাদের দিকে তাকিয়ে হাসছিলেন। সমগ্র রাজশাহী-রংপুর অঞ্চলের প্রায় ৭৯টি কনস্ট্রুয়েন্সি পুনর্গঠন করা ভবিষ্যতে আন্দোলন সংগ্রাম এবং নির্বাচনের জয় লাভের জন্য দায়িত্ব দেওয়া। তিনি দেখেছেন এই সফলতা।

ফেলে আসা দিনের স্মৃতিচারণ করে মিনু বলেন, তিনি আমাকে আমার পর্যায়ে যত বাংলাদেশের নেতা আছে, সবচেয়ে বেশি স্নেহ করতেন। তিনি কোনোদিন মেয়র সাহেব বলেননি, তিনি কোনোদিন মিজানুর রহমান বলেননি, তিনি এক কথাই মিনু বলতেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বলতেন মিজান, ম্যাডাম বলতেন মিনু।

তিনি বলেন, আমার জীবনে আল্লাহ যে সম্মান দিয়েছে, সবকিছুই তিনি আমাকে তৈরি করে দিয়েছেন। আমাদের মতো নেতাদের কথা। আল্লাহ উনাকে বেহেস্ত দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।