• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না শ্রদ্ধার ফুলে বীর শহীদদের স্মরণ পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি নিরাপত্তাপ্রধান আলী লারিজানির মৃত্যু নিশ্চিত করলো ইরান: রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজিকে আইনি নোটিশ রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানা এলাকা হতে ২১টি ককটেল ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৫। টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু আজ

আফগানদের কাছে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবলো বাংলাদেশ

Reporter Name / ১১৭ Time View
Update : বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ একা সাইফ হাসানের রানটা বাদ দিয়ে বাকি সংখ্যাগুলোকে পাশাপাশি বসালে সুন্দর একটি ফোন নাম্বার হয়ে যাবে। সাইফ হাসান ছাড়া কোনো ব্যাটারই আফগান বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতে পারেননি। ড্রেসিং রুম আর উইকেটের মাঝে যেন আসা-যাওয়ার দারুণ একটি মিছিল তৈরি করেছিলেন বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা।

শেষ পর্যন্ত এই মিছিলই বাংলাদেশকে বিশাল এক লজ্জায় ডোবালো। আফগানিস্তানের করা ২৯৩ রানের জবাবে বাংলাদেশ ২৭.১ ওভারে অলআউট হলো মাত্র ৯৩ রানে। ২০০ রানের বিশাল ব্যবধানে বাংলাদেশকে হারালো আফগানিস্তান। সেই সঙ্গে ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশকে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করলো আফগানিস্তান।

আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নামা আফগানিস্তানের ইনিংসের গোড়াপত্তন করেন ইবরাহিম জাদরান। ইবরাহিম ৯৫ রানের ধৈর্যশীল ইনিংস খেলেন। মাত্র ৫ রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করেন তিনি। তার সঙ্গে রহমানউল্লাহ গুরবাজের ঝোড়ো ৪২ রানের ইনিংসে ওপেনিংয়ে ৯৯ রানের শক্ত ভিত পায় আফগানরা।

তবে শেষ দিকে মোহাম্মদ নবি ঝড় তোলেন। ২৫ বলে ২৪ রান করার পর তিনি শেষ দুই ওভারে তুলে নেন আরও ৩৮ রান! শেষ ওভারে হাসান মাহমুদের বলেই তিনটি চার ও এক ছক্কায় ১৯ রান নেন নবি। তিনি শেষ পর্যন্ত ৩৭ বলে ৬২* রানে অপরাজিত থাকেন। আফগানিস্তান সংগ্রহ করে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৯৩ রান।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকে ধুঁকতে শুরু করে বাংলাদেশের ব্যাটাররা। বল হাতে ধাক্কার শুরুটা করেন তরুণ পেসার বিলাল সামি, যিনি করলেন ক্যারিয়ার সেরা বোলিং। তুলে নেন ক্যারিয়ারের প্রথম ৫ উইকেট। তার বোলিং ফিগার- ৫/২৯।

বাংলাদেশের একমাত্র লড়াকু ইনিংস আসে সাইফ হাসানের ব্যাট থেকে- ৫৪ বলে ৪৩ রান। যেখানে ছিল দুই চার ও তিন ছক্কা। এরপর বাকি ব্যাটাররা একে একে ফিরে গেলে ২৮তম ওভারের প্রথম বলে ৯৩ রানে শেষ হয় টাইগারদের ইনিংস।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।