
প্রিয়জন ডেস্কঃ একা সাইফ হাসানের রানটা বাদ দিয়ে বাকি সংখ্যাগুলোকে পাশাপাশি বসালে সুন্দর একটি ফোন নাম্বার হয়ে যাবে। সাইফ হাসান ছাড়া কোনো ব্যাটারই আফগান বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতে পারেননি। ড্রেসিং রুম আর উইকেটের মাঝে যেন আসা-যাওয়ার দারুণ একটি মিছিল তৈরি করেছিলেন বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা।
শেষ পর্যন্ত এই মিছিলই বাংলাদেশকে বিশাল এক লজ্জায় ডোবালো। আফগানিস্তানের করা ২৯৩ রানের জবাবে বাংলাদেশ ২৭.১ ওভারে অলআউট হলো মাত্র ৯৩ রানে। ২০০ রানের বিশাল ব্যবধানে বাংলাদেশকে হারালো আফগানিস্তান। সেই সঙ্গে ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশকে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করলো আফগানিস্তান।
আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নামা আফগানিস্তানের ইনিংসের গোড়াপত্তন করেন ইবরাহিম জাদরান। ইবরাহিম ৯৫ রানের ধৈর্যশীল ইনিংস খেলেন। মাত্র ৫ রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করেন তিনি। তার সঙ্গে রহমানউল্লাহ গুরবাজের ঝোড়ো ৪২ রানের ইনিংসে ওপেনিংয়ে ৯৯ রানের শক্ত ভিত পায় আফগানরা।
তবে শেষ দিকে মোহাম্মদ নবি ঝড় তোলেন। ২৫ বলে ২৪ রান করার পর তিনি শেষ দুই ওভারে তুলে নেন আরও ৩৮ রান! শেষ ওভারে হাসান মাহমুদের বলেই তিনটি চার ও এক ছক্কায় ১৯ রান নেন নবি। তিনি শেষ পর্যন্ত ৩৭ বলে ৬২* রানে অপরাজিত থাকেন। আফগানিস্তান সংগ্রহ করে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৯৩ রান।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকে ধুঁকতে শুরু করে বাংলাদেশের ব্যাটাররা। বল হাতে ধাক্কার শুরুটা করেন তরুণ পেসার বিলাল সামি, যিনি করলেন ক্যারিয়ার সেরা বোলিং। তুলে নেন ক্যারিয়ারের প্রথম ৫ উইকেট। তার বোলিং ফিগার- ৫/২৯।
বাংলাদেশের একমাত্র লড়াকু ইনিংস আসে সাইফ হাসানের ব্যাট থেকে- ৫৪ বলে ৪৩ রান। যেখানে ছিল দুই চার ও তিন ছক্কা। এরপর বাকি ব্যাটাররা একে একে ফিরে গেলে ২৮তম ওভারের প্রথম বলে ৯৩ রানে শেষ হয় টাইগারদের ইনিংস।