
প্রিয়জন ডেস্কঃ বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও রাজবাড়ী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, জামায়াত আজকে পিআরের নামে নির্বাচন না করার জন্য যে পাঁয়তারা করছে এবং বিএনপির সাথে তারা যে দূরত্ব তৈরি করছে এর ফলাফল জামায়াতের জন্য খুব ভালো হবে না।
আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, জামায়াতে ইসলামী গোপনে গোপনে আওয়ামী লীগের লোকজনের সাথে যোগাযোগ করছে। গত ৫ আগস্টের আগে যারা ছাত্রলীগ করতো তারা এখন বলে তারা শিবির করে। জামায়াত বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগের লোকজনকে ভাগায়ে নিচ্ছে। সুতরাং এই কাজগুলো করে জামায়াতে ইসলামী বিএনপির সাথে যে দূরত্ব তৈরি করল, এই জিনিসটা জামায়াতের কপালে ভালো কিছু দেবে বলে আমার মনে হয় না।
সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, জামায়াতের উচিত এই মুহূর্তে কতটুকু লাভ তাদের পকেটে নেওয়া সম্ভব এটা ভাবা। সেটা হচ্ছে নির্বাচন হলে বিএনপি ক্ষমতায় যাবে, জামায়াত বিরোধী দল হবে।এর চেয়ে বেশি যদি জামায়াত কিছু চায়, বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে সংকট তৈরি হবে সেই সংকটের ফাঁকে যদি আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়, সে দায় জামায়াতকে নিতে হবে।
এই রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার জন্য যিনি প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবেন, আমি বলব তিনি দেশের জন্য একটা ক্ষতিকর কাজ করছেন। এজন্য আমি বলব জামায়াতে ইসলামী ভ্রান্ত রাজনীতি হাতে নিয়েছে, বিভ্রান্তির একটা রাজনীতির দিকে এগুচ্ছে তারা। আমার ধারণা এটাতে জামায়াতে ইসলামীর নিজেরও অনেক ক্ষতি হবে।
জেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক আলহাজ্ব মাওলানা মো.আইয়ুব খান আনসারীর সভাপতিত্বে ও জেলা ওলামা দলের সদস্য সচিব হাফেজ মাওলানা মো.লোকমান হোসেন এবং ওলামা দলের সদস্য মাওলানা আনাস খানের সঞ্চালনায় এ সময় জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী আহসান হাবীব, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কেএ সবুর শাহীন,জেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক এ মজিদ বিশ্বাস, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খায়রুল আনাম বকুল, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট নেকবর হোসেন মনিসহ জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী, জেলা ওলামাদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে ওলামা দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে পৌরসভার কমিউনিটি সেন্টার থেকে একটা বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের ১নং রেলগেট এলাকা প্রদক্ষিণ করে আবার একই স্থানে এসে শেষ হয়।