মন্দির কমিটির সভাপতি অমরেশ ঘোষ জানান,দুর্বৃত্তরা কার্তিক ও সরস্বতী প্রতিমার মাথা ও হাত ভেঙে দেয়। তিনি বলেন, ‘ঘটনার সময় এলাকায় বিদ্যুৎ ছিল না এবং গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল। এ সুযোগে অজ্ঞাত কেউ বা কারা এ অপকর্ম ঘটিয়েছে।’
তিনি আরও জানান, মন্দিরটি একটি টিনশেডে ঘেরা অস্থায়ী স্থাপনা এবং রাতে সাধারণত পাহারা দেওয়া হয়। তবে লোডশেডিং চলাকালীন সময়েই প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়। সামনে দুর্গাপূজা, প্রতিমার মাটির কাজ শেষ হয়ে গেছে এবং সোমবার থেকে রংয়ের কাজ শুরু হওয়ার কথা ছিল। এমন খবর পেয়ে কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, র্যাব-১২ কুষ্টিয়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুদীপ্ত সরকার এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা ঘটনাস্থলে যান।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোমিনুল ইসলাম বলেন, ‘সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছি। প্রাথমিকভাবে তদন্ত করছি, দ্রুতই বিষয়টির বিস্তারিত জানানো যাবে।’
র্যাব-১২ কুষ্টিয়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুদীপ্ত সরকারও জানান, তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত আছেন এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।






















