• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

একসঙ্গে যারা নির্বাচন করেছি, সবাই আমাদের উপদেষ্টা-ডাকসুর নবনির্বাচিত ভিপি সাদিক কায়েম

Reporter Name / ১২৫ Time View
Update : বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল।

আজ (বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নবনির্বাচিত সহ-সভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম বলেছেন, যারা একসঙ্গে নির্বাচন করেছি, তারা সবাই আমাদের উপদেষ্টা।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের আমানতের যথাযথ হক আদায় করব। স্বপ্নের ক্যাম্পাস গড়া পর্যন্ত লড়াই চলবে। যেকোনো সমস্যায় শিক্ষার্থীদের পাশে থাকব। সবার জন্য নিরাপদ ক্যাম্পাস গড়ে তোলা হবে। সব ধর্ম ও মতকে সমন্বয় করে আমরা কাজ করব। বিশেষ করে নারীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।’

ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের ইশতেহার বাস্তবায়ন হলেই সত্যিকারের বিজয় হবে। বিজয় মিছিলের পরিবর্তে সারাদেশে শোকরানা দোয়া অনুষ্ঠান হবে। এছাড়া শহিদ পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও তাদের কবর জিয়ারত করার কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে।’

এদিকে, নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ বলেন, ‘আনুষ্ঠানিক কোনো বিজয় মিছিল হবে না। শিক্ষার্থীদের দেয়া আমানত রক্ষা করাই এখন প্রধান দায়িত্ব। এটা আনন্দের বিষয় নয়, বরং আমানত রক্ষার পরীক্ষা। এটি শিবিরের বিজয় নয়, শিক্ষার্থীদের বিজয়। সকল মত ও দ্বিমতের ঊর্ধ্বে গিয়ে আমরা শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করব।’

ডাকসু নির্বাচনের ফল ঘোষণার প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের ভিপি প্রার্থী মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম) সর্বমোট ১৪ হাজার ৪২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী মো. আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৫ হাজার ৭০৮ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী উমামা ফাতেমা পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৮৯ ভোট। আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী শামীম হোসেন পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৮১ ভোট।

এছাড়া ভিপি পদে আব্দুল ওয়াহেদ ২৭, খালেক ১ হাজার ১০৩, আরিফুল ইসলাম ২৩, আল আমিন ইসলাম ১০, আসিফ আনোয়ার ৫, উমামা ফাতেমা ৩৩৮৯, সাদেক হোসেন ৩৯, জালাল আহমদ ৮, জাহিদ হাসান ১৭, তাহমিনা আক্তার ২৬, দ্বীন মো. সোহাফ ৬, মার্জিয়া হোসেন ৩৫, মাহাদি হাসান ৯, আবু তৈয়ব ১০, দেলোয়ার ১২, আজগর ৬, জামাল উদ্দিল, খালেদ ৫০৩, শফিক রহমান ৬, বিন ইয়ামিন মোল্লা ১৩৬, আবুল হোসেন ৭, ইয়াসিন আরাফাত ৬২, উজ্জ্বল হোসেন ৬, নাঈম হাসান ২৪, নাসির উদ্দীন মুদাব্বির ৩, রাসেল মাহমুদ ৭, সুজন ১, শামীম ৩৮৮৩ ও ইমি ৬৮ ভোট পেয়েছেন।

এর আগে মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষে গণনা শুরু হয়। ডাকসু নির্বাচনের ফল ঘোষণা নিয়ে ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সারাদিন বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা, অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের মধ্য দিয়ে ভোট গ্রহণ শেষ হয়।

সকাল ৮টা থেকে আটটি কেন্দ্রে শুরু হওয়া ভোট গ্রহণ শেষ হয় নির্ধারিত সময় বিকেল ৪টায়। তবে ৪টার পরও যারা লাইনে ছিলেন তাদের ভোটগ্রহণের সুযোগ দেয়া হয়েছে।

এবার ডাকসুতে ২৮টি পদের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন ৪৭১ জন। আর ১৮টি হল সংসদে নির্বাচন হবে ১৩টি করে পদে। হল সংসদের ২৩৪টি পদের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন ১ হাজার ৩৫ জন। অর্থাৎ সব মিলিয়ে এবার ভোটারদের ৪১টি ভোট দিতে হবে। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।