
প্রিজন ডেস্কঃ গণতন্ত্রের লড়াইয়ে যদি রক্ত দিতে হয়, আরও রক্ত দেওয়া হবে, রক্তের বদলে হলেও সব ষড়যন্ত্রকে ভেদ করে এই দেশে গণতন্ত্র এবং নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠিত করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান।
আহমেদ আযম খান বলেন, গভীর ষড়যন্ত্র চলছে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা যাতে না হয়। জনগণের ভোটের অধিকার যাতে প্রতিষ্ঠিত না হয়, নির্বাচিত সরকার যাতে না আসতে পারে, সেজন্য কঠিন ষড়যন্ত্র চলছে। এই ষড়যন্ত্রকে মোকাবিলা করার জন্য আপনাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। দেশের ভেতরে এবং বাহিরে ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে। ষড়যন্ত্র করছে পলায়নরত ফ্যাসিবাদী শক্তি ও একাত্তরের ওই পরাজিত শক্তি।
তিনি বলেন, লক্ষ্মীপুরের ৫৬ জন নেতা গুম খুনের শিকার হয়েছে। যারা গুম হয়ে গেছে আজ পর্যন্ত পরিবার আশায় রয়েছে তাদের সন্তান, স্বামী, পিতা, ভাই কবে ফিরে আসবে। ফিরে আসছে না। যুগ পার হয়ে যাচ্ছে ফিরে আসছে না। কবে এই গুম খুনের বিচার হবে, আমরা ন্যূনতম বিচারটি দেখে যাবো। যারা নিজেদেরকে আত্মাহুতি দিয়েছেন গণতন্ত্রের জন্য, সেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে, আমাদের দল বিএনপি সরকার গঠন করবে। ওই ৫৬টি পরিবারের মুখে হাসি ফুটাবে। তারা বিএনপির দিকে তাকিয়ে আছে। সেজন্য আপনাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ওই যড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দিতে হবে।
চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির আহ্বায়ক এম বেল্লাল হোসেনের সভাপতিত্বে সম্মেলন উদ্বোধন করেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন বাচ্চুর সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন– বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ ভিপি হারুন, ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন,জেলা বিএনপির সদস্য সচিব শাহাবুদ্দিন সাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হাছিবুর রহমান, বাফুফের সহ-সভাপতি মো. ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপী ও সদর (পূর্ব) উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাইন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ প্রমুখ।
২০১৪ সালের সদর থানা বিভক্ত হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানা গঠিত হয়। ২০২২ সালে ২৯ অক্টোবর সদর (পূর্ব) উপজেলা বিএনপি থেকে বিভক্ত করে সম্মেলন ছাড়াই চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করে জেলা বিএনপি।