• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

‘রক্তের বদলে হলেও ষড়যন্ত্রকে ভেদ করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করবো’-আহমেদ আযম খান

Reporter Name / ৮১ Time View
Update : শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

প্রিজন ডেস্কঃ গণতন্ত্রের লড়াইয়ে যদি রক্ত দিতে হয়, আরও রক্ত দেওয়া হবে, রক্তের বদলে হলেও সব ষড়যন্ত্রকে ভেদ করে এই দেশে গণতন্ত্র এবং নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠিত করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান।

শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির প্রথম দ্বিবার্ষিক সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্য তে তিনি বলেন, কোনো ষড়যন্ত্র বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। অনেক রক্ত বিএনপি দিয়েছে। ১৭ বছরে বিএনপির রক্ত রঞ্জিত হয়েছে বাংলাদেশের রাজপথ। বিএনপি রক্ত দিতে ভয় পায় না। বিএনপি ভয়ে ছদ্মনামে অন্য দলে যায় না। বিএনপি রক্ত দেয়, নিজ পরিচয়ে থেকেই, শহীদ জিয়ার পরিচয় থেকেই, বিএনপির পরিচয় থেকেই রক্ত দেয়। রক্ত আরও দেবো আমরা, কিন্তু কোনো ষড়যন্ত্রের কাছে মাথানত করবো না।
এই দেশটা স্বাধীন করেছিলাম গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের জন্যে, মানবাধিকারের জন্যে, আইনের শাসনের জন্যে। দেশটা আফগানিস্তান করার জন্য স্বাধীন করি নাই। কোনো জঙ্গীবাদের দেশে পরিণত করার জন্য স্বাধীন করি নাই।

আহমেদ আযম খান বলেন, গভীর ষড়যন্ত্র চলছে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা যাতে না হয়। জনগণের ভোটের অধিকার যাতে প্রতিষ্ঠিত না হয়, নির্বাচিত সরকার যাতে না আসতে পারে, সেজন্য কঠিন ষড়যন্ত্র চলছে। এই ষড়যন্ত্রকে মোকাবিলা করার জন্য আপনাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। দেশের ভেতরে এবং বাহিরে ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে। ষড়যন্ত্র করছে পলায়নরত ফ্যাসিবাদী শক্তি ও একাত্তরের ওই পরাজিত শক্তি।

তিনি বলেন, লক্ষ্মীপুরের ৫৬ জন নেতা গুম খুনের শিকার হয়েছে। যারা গুম হয়ে গেছে আজ পর্যন্ত পরিবার আশায় রয়েছে তাদের সন্তান, স্বামী, পিতা, ভাই কবে ফিরে আসবে। ফিরে আসছে না। যুগ পার হয়ে যাচ্ছে ফিরে আসছে না। কবে এই গুম খুনের বিচার হবে, আমরা ন্যূনতম বিচারটি দেখে যাবো। যারা নিজেদেরকে আত্মাহুতি দিয়েছেন গণতন্ত্রের জন্য, সেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে, আমাদের দল বিএনপি সরকার গঠন করবে। ওই ৫৬টি পরিবারের মুখে হাসি ফুটাবে। তারা বিএনপির দিকে তাকিয়ে আছে। সেজন্য আপনাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ওই যড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দিতে হবে।

চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির আহ্বায়ক এম বেল্লাল হোসেনের সভাপতিত্বে সম্মেলন উদ্বোধন করেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।

চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন বাচ্চুর  সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন– বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ ভিপি হারুন, ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন,জেলা বিএনপির সদস্য সচিব শাহাবুদ্দিন সাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হাছিবুর রহমান, বাফুফের সহ-সভাপতি মো. ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপী ও সদর (পূর্ব) উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাইন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ প্রমুখ।

২০১৪ সালের সদর থানা বিভক্ত হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানা গঠিত হয়। ২০২২ সালে ২৯ অক্টোবর সদর (পূর্ব) উপজেলা বিএনপি থেকে বিভক্ত করে সম্মেলন ছাড়াই চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করে জেলা বিএনপি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।