• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

মুসলিম হওয়ার কারণে অনেকে টার্গেট করে আমাকে

Reporter Name / ১২০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ ২০২১ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের কাছে ১০ উইকেটে হেরেছিল ভারত। সেই ম্যাচে ভারতের পেসার মোহাম্মদ শামি ওভারপ্রতি সবচেয়ে বেশি রান (১১) খরচা করেছিলেন। যে কারণে ভারতের সমর্থকরা সমালোচনায় বিদ্ধ করেছিলেন শামিকে। এমনকি কেউ কেউ তাকে ‘পাকিস্তানি’ বলেও গালাগাল করেছিলেন।

 

শুধু সেই এক বারই নয়, বিভিন্ন সময়েই ভারতের উগ্র সমর্থকরা শামিকে নিয়ে নেতিবাচক ও বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। শামি মনে করেন, মূলত মুসলিম হওয়ার কারণেই অনেকে তাকে সমালোচনার লক্ষ্যবস্তু বানান। সম্প্রতি এ বিষয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন ৩৪ বছর বয়সী এই পেসার।

এ বিষয়ে শামি বলেন, ‘অনেকে আমাকে মুসলিম হওয়ার কারণে টার্গেট করে, বিশেষ করে পাকিস্তানের ম্যাচের পর। আমি এসব নিয়ে ভাবি না। আমি তো মেশিন নই। ভালো দিন যেমন আসবে, খারাপ দিনও আসবে। আমি যখন দেশের হয়ে খেলি, তখন উইকেট নেওয়া আর ম্যাচ জেতার দিকে আমার ফোকাস থাকে। সোশ্যাল মিডিয়ার দিকে নয়।’

আগামী ৯ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া এশিয়া কাপে গ্রুপ পর্বেই মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান। তবে পেহেলগামের সন্ত্রাসী হামলা ও গেল মে মাসে দুই পক্ষের সামরিক উত্তেজনার পর ভারতীয় সাবেক ক্রিকেটারদের অনেকেই পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার কথা বলেছেন।

এই প্রসঙ্গে মতামত জানতে চাইলে একেবারেই স্পষ্ট ভাষায় জবাব দেন শামি। তিনি বলেন, ‘আমি বিতর্কের বাইরে থাকি। সরকার আর বোর্ড যা সিদ্ধান্ত নেবে, আমরা তাই মেনে চলি। পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলার আলাদা অনুভূতি আছে। কারণ সমর্থকদের উন্মাদনা অন্য রকম। তবে খেলোয়াড়দের জন্য এটা পারফর্ম করার ব্যাপার।’

ট্রল বা স্লেজিংয়ের শিকার হওয়া প্রসঙ্গে শামি বলেন, ‘একেবারেই না। শুধু একবার টেস্ট ম্যাচে বিরক্ত হয়েছিলাম, যখন কেউ সময় নষ্ট করছিল। তখন বলেছিলাম- তোমার খেলা খেলো। এটাই ছিল আমার আগ্রাসন। ট্রলিং আমাকে প্রভাবিত করতে পারে না, কারণ আমি সেটি এড়িয়ে যাই।’

এখন পর্যন্ত ভারতের হয়ে ১০৮টি ওয়ানডে, ৬৪টি টেস্ট ও ২৫টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন শামি। তবে অনেকদিন ধরেই জাতীয় দলের বাইরে তিনি। এশিয়া কাপের স্কোয়াডেও জায়গা পাননি। বর্তমানে জাতীয় দলে ফেরার জন্য কঠোর পরিশ্রম করছেন শামি। তবে নির্বাচকরা যেভাবে এখন তরুণদের সুযোগ দিচ্ছেন, তাতে শামির জাতীয় দলে ফেরা কিছুটা কঠিনই বলা চলে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।