• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

ডাকসু নির্বাচনের তফসিলের অপেক্ষায় শিক্ষার্থীরা, সেপ্টেম্বরে নির্বাচনের আভাস

Reporter Name / ১৫৮ Time View
Update : রবিবার, ২৭ জুলাই, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ ২৯ জুলাই ডাকসু নির্বাচনের তফসিলের অপেক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা। ছাত্রদল চায়-লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড। ছাত্রশিবির বলছে, ক্যাম্পাসে ছাত্র সংগঠনগুলোর সহাবস্থানে এখনই নির্বাচনের উপযুক্ত সময়। আর জাতীয় গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ বলছে, বিশেষ কোনো দলকে সুবিধা দিতে নির্বাচন আগানো পেছানো নয়, বরং গণঅভ্যুত্থানের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নেই প্রয়োজন কার্যকর ছাত্র সংসদ। সুষ্ঠুভাবে ডাকসু নির্বাচনের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় যে ঐতিহাসিক ৯ দাবি ছিল, তার একটি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রসংসদ নির্বাচন। কিন্তু অভ্যুত্থান পরবর্তী প্রায় এক বছরেও কোথাও ছাত্রসংসদ নির্বাচন হয়নি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অবশেষে ২৯ জুলাই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেছে। দিয়েছে সেপ্টেম্বরের ২য় সপ্তাহে নির্বাচনের আভাস।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরাও ভোট দেয়ার জন্য আছেন মুখিয়ে। ডাকসু নির্বাচন হওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প দেখছেন তারা। চাইছেন নির্বাচিত ডাকসুর মধ্য দিয়ে ক্যাম্পাসে তাদের অধিকার ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠা হবে।

 

এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘ডাকসুর কোনো বিকল্প নাই। আমরা সকল সাধারণ শিক্ষার্থী চাই যেন ডাকসু টা হোক।’

 

জাতীয় গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ বলছে, আর কোনো টালবাহানা নয়, গণঅভ্যুত্থানের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নির্বাচন অনিবার্য। বিশেষ কোনো দলের চাপে নির্বাচন না দিলে তা হবে স্বৈরাচারী আচরণ।

 

জাতীয় গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের সদস্য সচিব জাহিদ আহসান বলেন, এতটুকু আশা দেখতে যে তারা অন্ততপক্ষে সর্বশেষ বারের মত যে ওয়াদা ছাত্রদের কাছে দিয়েছেন এ ওয়াদা তারা ভঙ্গ করবেন না। এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, উপাচার্য, এ প্রক্টর বা এখন যারা রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োজিত হয়েছেন প্রত্যেকে গণঅভ্যুত্থানের কমিটমেন্ট ছাত্রদের কাছে দিয়ে তারা এ প্রশাসনিক কার্যক্রমে হাত দিয়েছেন।’

 

শিক্ষার্থীদের চাওয়াকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুতই নির্বাচন চায় ইসলামী ছাত্রশিবির। সংগঠনটি মনে করে, ক্যাম্পাসে এখন সহাবস্থানের রাজনীতি আছে, তাই এটাই নির্বাচনের উপযুক্ত সময়।

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী আশিক বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের চাওয়া যেহেতু এটা তাই ছাত্রশিবিরও খুব স্ট্রংলি এটা চায় এবং খুব দ্রুত যেন ডাকসু নির্বাচনটা হয়। আর ক্যাম্পাসের সামগ্রিক পরিবেশ ঠিকঠাক রাখার জন্য ডাকসু নির্বাচনটা জরুরি। কারণ এখন একটা সহাবস্থান রয়েছে। ছাত্র সংগঠনগুলো প্রকাশ্যে তাদের কাজ করতে পারছে। কাউকে বাধ্য হয়ে ক্যাম্পাস ত্যাগ করতে হচ্ছে না। কিংবা হলের মধ্যে কোনো গেস্টরুম কালচার নেই। এর থেকে বেস্ট পরিবেশ আর কী হতে পারে।’

 

ছাত্রদল বলছে, ডাকসুর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে হবে। বিশেষ করে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলার উন্নতির দাবি সংগঠনটির।

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মল্লিক ওয়াসি উদ্দিন তামী বলেন, এখানে যেটা বললাম কেউ যদি চাপ সৃষ্টি করে এখনই ডাকসু লাগবে কিংবা কেউ যদি বলে আমি ডাকসু চাইনা কোনোটাই উচিত হবে না। এবং ডাকসুকে কার্যকরী করার জন্য বা অংশগ্রহণমূলক করার জন্য এবং গণতান্ত্রিক করার জন্য যা যা করার দরকার আমার মতে ছাত্র সংগঠনগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে সেগুলোই করা উচিত।’

 

কোনো চ্যালেঞ্জ নেই সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন আয়োজনের উল্লেখ করে প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য যা যা দরকার- সব ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

 

ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের তরফ থেকে কোনো গাফিলতি নাই, একটা সুষ্ঠু ফ্রি, ফেয়ার, ইনক্লুসিভ ইলেকশন করার জন্য যত ধরনের প্রচেষ্টা দরকার, ব্যবস্থা নেয়া দরকার আমরা সেটা নিচ্ছি। এখন পর্যন্ত কোনো চ্যালেঞ্জ আমরা দেখছি না।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।