• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না যমুনা এলাকায় সংঘর্ষে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার হয়নি: ডিএমপি ইনকিলাব মঞ্চের জাবের ও রাকসুর জিএসসহ আহত অন্তত ২৩ ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা হলে শক্তহাতে প্রতিহত করার আহ্বান জামায়াত আমিরের একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল

নারী ফুটবলে বিদ্রোহের মাঝেই কোচ বাটলারের অনুশীলন

Reporter Name / ১৯৬ Time View
Update : শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

বাংলাদেশ নারী ফুটবলে অস্থিরতা চরমে পৌঁছেছে। জাতীয় দলের অধিকাংশ সিনিয়র খেলোয়াড় কোচ পিটার বাটলারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন। দাবি একটাই—বাটলারকে অপসারণ করতে হবে, নইলে তারা আর খেলবেন না। তবে এই সংকটের মাঝেই বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে মাত্র ১৩ জন খেলোয়াড় নিয়ে অনুশীলনে নেমেছেন ব্রিটিশ কোচ।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) নারী দলের ক্যাম্পে ৩১ জন খেলোয়াড়কে ডেকেছিল। তবে আনাই মগিনি এখনও যোগ দেননি। বাকি ৩০ জনের মধ্যে মাত্র ১৩ জন আজকের অনুশীলনে উপস্থিত ছিলেন। তারা হলেন—রিপা, আফিদা, আইরিন, কোহাতি কিসকু, প্রান্তি, স্বপ্না, ইয়ারজান, অর্পিতা, হালিমা, আকলিমা, মুনকি, সুরমা ও প্রীতি।

অন্যদিকে, জাতীয় দলের ১৮ জন খেলোয়াড় অনুশীলন বয়কট করেছেন, যার মধ্যে রয়েছেন দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ও তারকা ফুটবলাররা—সাবিনা খাতুন, কৃষ্ণা রানী সরকার, মারিয়া মান্দা, সানজিদা আক্তার, মাসুরা পারভীন, মনিকা চাকমা, ঋতুপর্ণা চাকমা ও গোলরক্ষক রুপ্না চাকমা। শুধু সিনিয়ররাই নন, উঠতি তারকা নীলাসহ আরও কয়েকজনও কোচের বিরুদ্ধে এই বিদ্রোহে যোগ দিয়েছেন।

নারী ফুটবলারদের সঙ্গে কোচ বাটলারের দূরত্ব তৈরি হয় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সময় থেকেই। শিরোপা জিতলেও দলের সিনিয়র খেলোয়াড়রা কোচের প্রতি অসন্তুষ্ট ছিলেন। তাদের দাবি, বাটলারের কৌশল, আচরণ এবং পরিচালন পদ্ধতি দলকে আরও ঐক্যবদ্ধ করার বদলে বিভক্ত করছে।

সাম্প্রতিক বিদ্রোহের পর বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেওয়া হয় যে, যদি বাটলার কোচ হিসেবে থাকেন, তাহলে তারা জাতীয় দলে আর খেলবেন না। তবুও বাফুফে দুই বছরের জন্য তাকে চুক্তিবদ্ধ করে, যা খেলোয়াড়দের ক্ষোভ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

এই সংকট নিরসনে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) একটি বিশেষ কমিটি গঠন করেছে। আজ বিকেলে সেই কমিটির সভা হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে বিষয়টি খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এদিকে, বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের সংস্কার কাজ শেষ হওয়ার পর এটি জাতীয় দলের প্রথম অনুশীলন হলেও, মাঠের সংকটের পাশাপাশি দলীয় সংকটই এখন সবচেয়ে বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নারী ফুটবলের এই অস্থিরতা কত দ্রুত সমাধান হবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়!


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।