• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না যমুনা এলাকায় সংঘর্ষে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার হয়নি: ডিএমপি ইনকিলাব মঞ্চের জাবের ও রাকসুর জিএসসহ আহত অন্তত ২৩ ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা হলে শক্তহাতে প্রতিহত করার আহ্বান জামায়াত আমিরের একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে যুবদল নেতার মৃত্যুতে শিবিরের প্রতিবাদ

Reporter Name / ১৭৫ Time View
Update : শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

কুমিল্লায় গভীর রাতে যুবদল নেতা মো. তৌহিদুল ইসলামকে তুলে নিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে যৌথ বাহিনীর বিরুদ্ধে। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

শনিবার (০১ ফেব্রুয়ারি) ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল ইসলাম সাদ্দাম এক যৌথ বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানান। সংগঠনের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক আজিজুর রহমান আজাদ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) গভীর রাতে কুমিল্লায় তৌহিদুল ইসলাম (৪০) নামে এক যুবদল নেতাকে যৌথ বাহিনীর পরিচয়ে বাড়ি থেকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে অসুস্থ অবস্থায় পুলিশি পাহারায় হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, নিহত তৌহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ছিল না। নিহত তৌহিদুল ইসলামের শরীরে নির্যাতনের স্পষ্ট চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা ইঙ্গিত করে যে তাকে আটক অবস্থায় নির্যাতন করা হয়েছিল। এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, একটি সভ্য দেশে রাষ্ট্রীয় বাহিনীর প্রধান দায়িত্ব হলো নাগরিকদের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাদের মৌলিক ও নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ করা। কিন্তু বিগত ফ্যাসিস্ট শাসনামলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট স্বৈরশাসনের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করতে গিয়ে হাজার হাজার নিরীহ ও নিরপরাধ নাগরিককে অকথ্য নির্যাতনের মাধ্যমে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করেছে। যুবদল নেতা তৌহিদুল ইসলামের এই হত্যাকাণ্ড সেই নির্মম হত্যাযজ্ঞেরই পুনরাবৃত্তি।

কেন্দ্রীয় নেতৃদ্বয় বলেন, ফ্যাসিবাদের পতনের পরও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আচরণে আশানুরূপ পরিবর্তন আসেনি। দুই সহস্রাধিক শহীদের রক্তের বিনিময়ে স্বৈরতন্ত্রের অবসানের পরও নতুন বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের হাতে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। এ ধরনের হত্যাকাণ্ড আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি জনমনে অনাস্থা ও ক্ষোভের জন্ম দিচ্ছে, পাশাপাশি অভ্যুথানকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

নেতৃবৃন্দ বিচারবহির্ভূত এই হত্যাকাণ্ডের যথাযথ তদন্ত করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। একই সঙ্গে, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আর কোনো নাগরিক যেন জুলুমের শিকার না হয়, তা নিশ্চিত করতে কার্যকর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য সরকারের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।