• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটের হল অব ফেমে জায়গা পেলেন মাইকেল ক্লার্ক

Reporter Name / ৩৩৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৫

অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ককে বুধবার (২৩ জানুয়ারি) সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট হল অব ফেমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ৪৩ বছর বয়সী এই সাবেক অধিনায়ক হলেন দেশের ৬৪তম ক্রিকেটার, যিনি এই সম্মানে ভূষিত হলেন।

ক্লার্ক তার ১২ বছরের দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ১১৫টি টেস্ট, ২৪৫টি ওয়ানডে এবং ৩৪টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন, যেখানে তার রান সংখ্যা ১৭,০০০ এরও বেশি। ৪৭টি টেস্টে নেতৃত্ব দেওয়া এই অধিনায়ক অস্ট্রেলিয়াকে ২০১৩-১৪ অ্যাশেজে ৫-০ ব্যবধানে ঐতিহাসিক জয় এবং ২০১৫ সালে ঘরের মাঠে ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ে নেতৃত্ব দেন।

অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটের হল অব ফেমে জায়গা পেলেন মাইকেল ক্লার্ক

ক্লার্কের ব্যাটিং ক্যারিয়ারে উল্লেখযোগ্য ইনিংসগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্যাঙ্গালুরুতে টেস্ট অভিষেকে ১৫১ রানের চমৎকার ইনিংস। তিনি অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ষষ্ঠ সর্বোচ্চ ২৮টি টেস্ট সেঞ্চুরি করেছেন, যার মধ্যে অন্যতম হলো সিডনিতে ভারতের বিপক্ষে ৩২৯ রান, কেপটাউনে ১৫১ রান এবং প্রয়াত ফিলিপ হিউজের মৃত্যুর পর অ্যাডিলেডে আবেগঘন ১২৮ রানের ইনিংস।

এই সম্মান পেয়ে ক্লার্ক বলেন, ‘এত সব অসাধারণ খেলোয়াড়, আদর্শ এবং রোল মডেলের পাশে বসতে পারা আমার জন্য বিশাল সম্মানের। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার নিয়ে সবাই কথা বলে, কিন্তু আমার জন্য এটি শুরু হয়েছিল মাত্র ছয় বছর বয়সে। ৩৪ বছর বয়সে অবসর নিয়েছি, তবে ক্রিকেট ছিল আমার জীবনের মূল অংশ এবং এখনো সেই জায়গা ধরে রেখেছে।’

অনুষ্ঠানে হল অব ফেমের চেয়ারম্যান পিটার কিং বলেন, ‘মাইকেলের অসাধারণ প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ার মাত্র ১৭ বছর বয়সে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে শুরু হয়েছিল। এখানেই তিনি অনেক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের জন্ম দিয়েছেন, যার মধ্যে ২০১২ সালে ভারতের বিপক্ষে ট্রিপল সেঞ্চুরি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। মাইকেলের ক্যারিয়ার অস্ট্রেলিয়ান জনগণের কাছে চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে এবং তিনি সর্বকালের সেরাদের কাতারে স্থান করে নিয়েছেন।’

মাইকেল ক্লার্কের এই অন্তর্ভুক্তি তার অসামান্য ক্যারিয়ারের প্রতি এক অনন্য স্বীকৃতি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।