• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

আবু সুফিয়ান: দেশের মানুষের মুক্তির সনদ তারেক রহমানের ৩১ দফা

Reporter Name / ২০৯ Time View
Update : শনিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৫

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান বলেছেন, আওয়ামী সরকার বিগত ১৬ বছরে রাষ্ট্র কাঠামোগুলোকে ধ্বংস করেছে। এ বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে মেরামত করে একটি সুন্দর আগামীর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সবাইকে কাজ করতে হবে। রাষ্ট্র মেরামতে আমাদের নেতা তারেক রহমান দুই বছর পূর্বে ৩১ দফা ষোষণা করেছিলেন। এর মধ্যেই রাষ্ট্র সংস্কারের মূল বিষয়গুলো উপস্থাপিত হয়েছে। এ ৩১ দফা দেশের মানুষের মুক্তির সনদ।

শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রদত্ত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতে ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বোয়ালখালী উপজেলায় আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আবু সুফিয়ান বলেন, ‘রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের এই রুপরেখা বাস্তবায়ন হলে দেশ উন্নয়ন ও অগ্রগতির দিকে এগিয়ে যাবে। সাধারণ মানুষের স্বপ্ন পূরণ হবে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ৩১ দফা বাস্তবায়ন করবে। এসব দফার রূপরেখার মাধ্যমে আমরা রাষ্ট্র সংস্কার ও মেরামত করে একটি সুন্দর সমাজ ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে পারব। সেই সুন্দর সমাজ ও বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আমাদেরকে মানুষের কাছে যেতে হবে, মানুষের সাথে কথা বলতে হবে।’

বিএনপির নেতাকর্মীদের সুশৃঙ্খল এবং ধৈর্য্যশীল উল্লেখ্য করে তিনি বলেন, ‘জুলাই অভুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীর প্রকৃত চেহারা উন্মোচিত হয়েছে। ক্ষমতার লোভে তারা কতটুকু বিভৎস হতে পারে তা দেশের মানুষ দেখেছে। দেশপ্রেম নয় তারা ক্ষমতার মোহে আচ্ছন্ন ছিল। তাই ক্ষমতার লোভ তাদের ধ্বংসের পথে নিয়ে গেছে। তাদের ১৬ বছরের দুঃশাসন আইয়ামে জাহেলিয়ার যুগকেও হার মানিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপির ৫০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে তারা দেড় লাখ মামলা দিয়েছে। ২ হাজারের অধিক নেতাকর্মীকে গুম ও খুন করেছে। কোনো কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ৩০০-৪০০ এর অধিক মামলা। কিন্তু এত হামলা-মামলা ও নির্যাতন-নিপীড়ন সত্ত্বেও গণতন্ত্র পুনঃরুদ্ধারের লড়াই থেকে বিএনপির নেতাকর্মীরা একবিন্দু পিছু হঠেনি। তারা ধ্বংসাত্মক কিংবা অনৈতিক কোনো কর্মকান্ডে লিপ্ত হয়নি। নেতাকর্মীদের এ আত্মত্যাাগের একমাত্র লক্ষ্য ছিল দেশকে ফ্যাসিবাদ মুক্ত এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।’

সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন লিপু। প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাজী ইসহাক চৌধুরী।

৪নং শাকপুরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আজম খানের সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী পেয়ার মোহাম্মদের সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব হামিদুল হক মান্নান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।