
‘শিশু আইনে বলা আছে, নয় বছরের নিচের কোনও শিশু অপরাধ করতেই পারে না। তাকে আটক করা বা তার বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া সম্পূর্ণ বেআইনি।’ ভোলায় বিচারকদের নিয়ে ‘শিশু আইন ২০১৩’ বিষয়ক প্রশিক্ষণে বক্তারা এ কথা বলেন।
শনিবার (১৬ নভেম্বর) ভোলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সম্মেলন কক্ষে দুই দিন ব্যাপী এই প্রশিক্ষণ শেষ হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ভোলার সিনিয়র জেলা ও দ্বায়রা জজ এএইচ এম মাহমুদুর রহমান।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ‘শিশুদের বিচার করতে হবে একমাত্র “শিশু আইনে”। অন্য কোনও আইন প্রয়োগ করা যাবে না।’ শিশুরা কেন অপরাধে জড়াচ্ছে, তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে শিশুর বিচার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।
বক্তারা আরও বলেন, ‘ভ্রাম্যমাণ আদালতের আওতায় কোনও শিশুকে আনা যাবে না। যদি বিশেষ কোনও বিষয় থাকে, তাহলে সরাসরি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে পরামর্শ করে ব্যবস্থা নিতে হবে।’
ইউনিসেফের সহযোগিতায় ও স্ট্রেংদেনিং অল্টারনেটিভস অ্যান্ড রেস্টোরেটিভ জাস্টিস সিস্টেম ফর চিল্ড্রেন (এসএআরসি) প্রকল্প এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন– জেলা জজ (নারী ও শিশু নির্যাতন দমন টাইব্যুনাল) আনোয়ারুল হক, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শরীফ মো. সানাউল হক প্রমুখ।