• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

‘বিজয়-উৎপলকে ধরলে মিলবে ডা. কাজেম আলী খুনের উত্তর’

Reporter Name / ২২২ Time View
Update : বুধবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৪

জেলা প্রতিনিধি, রাজশাহী
‘রাজনৈতিক কারণে’ রাজশাহীতে প্রখ্যাত চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. গোলাম কাজেম আলী আহমেদকে খুন করা হয়। রাজশাহীর তৎকালীন দুই পুলিশ কর্মকর্তা বিজয় বসাক ও উৎপল কুমারকে ধরলেই মিলবে ডা. কাজেম খুনের সব প্রশ্নের উত্তর। খুনের ঘটনায় চিকিৎকরা এখনো আতঙ্কে রয়েছেন- বুধবার (৩০ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজের (রামেক) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে চিকিৎসকরা এসব কথা বলেন।

রামেকের শিক্ষক, চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম রাজশাহীর সাধারণ সম্পাদক ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজের রিউমাটলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. এম মুর্শেদ জামান মিঞা। এ সময় ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) রাজশাহীর সভাপতি প্রফেসর ডা. ওয়াসিম হোসেন, ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম রাজশাহীর সভাপতি প্রফেসর ডা. কাজী মহিউদ্দিন আহমেদ, নিহত ডা. কাজেম আলীর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ডা. জাহাঙ্গীর হোসেনসহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে রামেকের ডা. এম মুর্শেদ জামান মিঞা বলেন, গত বছরের ২৯ অক্টোবর নগরীর বর্নালি মোড়ে ডা. কাজেম আলী নির্মম ও নৃশংসভাবে খুন করা হয়। বিনয়ী ও সদালাপী মানুষ ছিলেন তিনি। ব্যক্তিগত কারণে তিনি খুন হননি। রাজনৈতিক কারণে তাকে খুন করা হয়েছে। তবে মামলার এখনো কোনো অগ্রগতি নেই। খুনের বিচার নিয়ে আমরা শঙ্কিত।

তিনি বলেন, ঘটনার সময়কার সিসিটিভি কাট করে নেওয়া হয়েছে। ওখানকার আগে-পরের ফুটেজ আছে। তবে ওই সময়ের ফুটেজ নাই। দোকানদার জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও কয়েকটা এজেুন্সি নিয়ে গেছে। আমরা তাদের সাথে যোগাযোগ করি এবং বলি, আপনারা তো ধরতে পারেন। কিন্তু তারা ধরছে না।

ডা. মুর্শেদ জামান মিঞা বলেন, খুনের ১৮ টা ইভেন্ট ঘটে। নরমাল খুনি এভাবে মারতে পারে না। তারা শিক্ষিত কিলার ছিল। নির্বাচনের পূর্বমুহূর্তে ঘটনা ঘটলো। নির্বাচনী পরিবেশ তৈরির জন্য এটা হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জের আওয়ামী লীগের দুজন লোক প্রতিবাদ জানিয়েছিল, তাদের ঘাড়ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়।

এসময় রাজশাহীর দুজন পুলিশ কর্মকর্তার নাম বলেন ডা. মুর্শেদ। বলেন, পুলিশের বিজয় বসাক (অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, আরএমপি) এবং উৎপল কুমারকে (সাইবার ক্রাইম ইউনিট প্রধান, আরএমপি) ধরলে খুনের সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে। পলিটিক্যাল কারণে খুন হয়েছে। ইন্ডিয়ান র এজেন্ট যুক্ত থাকতে পারে। ওই সময় আমাদেরও বলা হয়, আপনারা নিরাপত্তা নিয়ে চলেন। আমাদের গানম্যান নিয়ে চলতে হয়।

সংবাদ সম্মেলনে চিকিৎসক নেতারা বলেন, ওই সময় রংপুরেও একজন চেয়ারম্যান খুন হয়। ডা. কাজেম খুন সুপরিকল্পিত, ঠান্ডা মাথার পরিকল্পনা। ব্যক্তিগত কোনো ঘটনা দায়ী- এটা আমাদের মনে হয়নি। এখনো আতঙ্ক বিরাজ করছে। তবে যে ঘটনায় হোক, মানুষ হিসেবে খুন হয়েছে, কারা করলো এটার জানার ও বিচার পাওয়ার অধিকার আছে। চার্জশিটও দিবে না, ঝুলিয়ে রাখবে- এটা হতে পারে না। আমরা এখনো কেউ নিরাপদ নই।বিচারের দাবিতে চিকিৎসকরা কর্মবিরতিতে যাওয়ার হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, আমরা কর্মবিরতিতে যেতে পারি। তবে জনস্বার্থ দেখতে হয়, আবার আমাদের স্বার্থও দেখতে। সাধারণ মানুষের ক্ষতি করতে পারি না।

এদিন দুপুরে রামেকে ডা. কাজেম আলী স্মরণে শোক সভা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে রাজশাহীর সর্বস্তরের চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।