• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ক্ষমতায় গেলে এ দেশকে যুবকদের হাতে তুলে দেয়া হবে: জামায়াত আমির একটি দল ভোটকেন্দ্র দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছে: হাসনাত আবদুল্লাহ পুলিশের তাণ্ডব নির্বাচনকে ঘিরে ষড়যন্ত্রের আভাস: মঞ্জু যমুনা এলাকায় সংঘর্ষে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার হয়নি: ডিএমপি ইনকিলাব মঞ্চের জাবের ও রাকসুর জিএসসহ আহত অন্তত ২৩ ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা হলে শক্তহাতে প্রতিহত করার আহ্বান জামায়াত আমিরের একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি

তাইজুলের ৫ উইকেট, ৪১৩ রান নিয়ে লাঞ্চে দ.আফ্রিকা

Reporter Name / ২০২ Time View
Update : বুধবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৪

স্কোর: প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকা ১১০ ওভারে ৪১৩/৫ (রিকেলটন ১১*, মুল্ডার ১২*; মারক্রাম ৩৩, স্টাবস ১০৬, বেডিংহ্যাম ৫৯, ডি জর্জি ১৭৭, ভেরেইন ০)

দ্বিতীয় দিন সকালে বেডিংহ্যাম-ডি জর্জি যেভাবে প্রতিরোধ গড়েছিলেন তাতে ৫৫০ প্লাস স্কোর সম্ভাব্য মনে হচ্ছিল। কিন্তু প্রথম সেশনের দ্বিতীয় ঘণ্টাতেই দৃশ্যপটে বদল আনেন তাইজুল ইসলাম। তার ঘূর্ণিতে হালকা ধস নামে ব্যাটিংয়ে। যার মধ্যে ১১৬ রানের জুটি উপহার দেওয়া বেডিংহ্যাম,সেঞ্চুরিয়ান ডি জর্জির উইকেটও ছিল। ৫ রানের মধ্যে বেডিংহ্যাম, ডি জর্জি, ভেরেইনকে ফিরিয়ে তিন উইকেট নিয়ে আবার ৫ উইকেট শিকার করেছেন তাইজুল। তাতে প্রোটিয়াদের পথ চলায় কাঁটা বিছিয়ে দিতে পারার স্বস্তি নিয়ে দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশন শেষ করেছে বাংলাদেশ। লাঞ্চের আগে ৫ উইকেটে ৪১৩  রান নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা এই সেশন শেষ করেছে। ব্যাট করছেন ভিয়ান মুল্ডার (১২) ও রায়ান রিকেলটন (১১)।

এই সেশনে ১০৬ রান যোগ হয়েছে। পড়েছে ৩ উইকেট।

তাইজুলের পঞ্চম শিকার ভেরেইন

তৃতীয় উইকেট জুটি ভাঙার পরেই প্রতিরাধ দুর্বল হয়ে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকার। ৫ রানে এক তাইজুলের আঘাতেই পড়েছে তিন উইকেট! সেঞ্চুরিয়ান ডি জর্জির আউটের পর এক ওভার বিরতি দিয়ে এবার নতুন ব্যাটার কাইল ভেরেইনকে বিদায় দিয়েছেন তিনি। এলবিডাব্লিউ হয়ে প্রোটিয়া ব্যাটার আউট হন শূন্য রানে। রিভিউ নিয়েও কিছু হয়নি। যা ছিল তাইজুলের পঞ্চম উইকেট। প্রথম টেস্টে ৮ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি।

ডি জর্জিকেও থামালেন তাইজুল

প্রথম ঘণ্টায় সাফল্য ছিল না বাংলাদেশের। শেষ ঘণ্টাতেই আঘাত হানলেন তাইজুল। তার আঘাতে সাজঘরে ফিরেছেন দুই সেট ব্যাটার। তাইজুলের আঘাতে ৯৯তম ওভারে ভাঙে ১১৬ রানের জুটি। বোল্ড হন বেডিংহ্যাম। একওভার বিরতি দিয়ে এবার টনি ডি জর্জিকে থামান তিনি। গতকাল থেকে প্রোটিয়াদের ইনিংস এগোচ্ছিল তার ব্যাটিংয়ে। দেড়শ রান পার হয়ে দুইশর লক্ষ্যে খেলছিলেন ডি জর্জি। তাকে ১৭৭ রানে এলবিডাব্লিউ করেন তাইজুল। ডি জর্জি রিভিউ নিয়েও শেষ রক্ষা করতে পারেননি।

তাইজুলের আঘাতেই ভাঙলো ১১৬ রানের জুটি

গতকাল থেকেই প্রতিরোধ গড়ে খেলছিলেন ডেভিড বেডিংহ্যাম ও টনি ডি জর্জি। যার নেতৃত্বে ডি জর্জি। দ্বিতীয় দিন সকালেও বাংলাদেশকে হতাশ করে শতরান ছাড়ানো জুটি গড়েন তারা। ঘণ্টা পার হওয়ার পর এই জুটিও ভেঙেছেন আগের দুই উইকেট নেওয়া তাইজুল। আগের বলে ছয় মারা বেডিংহ্যাম দ্বিতীয় ডেলিভারিতে বলের লাইন মিস করেছেন। তাতে লেগ স্টাম্প  উপড়ে যায় তার। হাফসেঞ্চুরি করা বেডিংহ্যাম ৭৮ বলে আউট হয়েছেন ৫৯ রানে।

ডি জর্জি-বেডিংহ্যাম জুটি শতরান ছাড়ালো

গতকাল থেকে অবিচ্ছিন্ন টনি ডি জর্জি ও ডেভিড বেডিংহ্যাম। দ্বিতীয় দিন সকালে প্রথম ঘণ্টাতেও তাদের প্রতিরোধ ভাঙতে পারেনি বাংলাদেশ। তৃতীয় উইকেটে শতরান ছাড়িয়েছে তাদের জুটি। ডি জর্জি দেড়শ রান ছাড়িয়েছেন। বেডিংহ্যাম পেয়েছেন টেস্ট ক্যারিয়ারের তৃতীয় হাফসেঞ্চুরি। তিনি ফিফটি তুলে নিয়েছেন ৭০ বলে।

ডি জর্জি-বেডিংহ্যাম জুটি পঞ্চাশ ছাড়ালো

গতকাল থেকে প্রতিরোধ গড়ে খেলছেন সেঞ্চুরিয়ান টনি ডি জর্জি। বেডিংহ্যামকে সঙ্গে নিয়ে গড়েছেন নতুন জুটি। দ্বিতীয় দিন সকালে ৮৭তম ওভারে পঞ্চাশ ছাড়িয়েছে এই জুটি। তাতে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে যাচ্ছে সফরকারী দল।

ভালো কিছুর আশায় দ্বিতীয় দিন শুরু বাংলাদেশের 

চট্টগ্রামে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম দিন আক্ষরিক অর্থেই বাংলাদেশের ওপর কর্তৃত্ব করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। জোড়া সেঞ্চুরিতে প্রথম দিনটি নিজেদের করে নিয়েছে। ট্রিস্টান স্টাবস ১০৬ রানে আউট হলেও যে টনি ডি জর্জিকে মাহিদুল ৬ রানে জীবন দিয়েছেন তার সেঞ্চুরিতে ভর করে প্রোটিয়ারা বড় সংগ্রহের দিকে ছুটছে। প্রথম দিন মাত্র দুটি উইকেট নিতে পারা বাংলাদেশ দ্বিতীয় দিন ভালো কিছুর আশায় মাঠে নেমেছে।

আগের দিন আলোর স্বল্পতায় আগেভাগে খেলা শেষ হওয়ার আগে সফরকারীদের সংগ্রহ ছিল প্রথম ইনিংসে ২ উইকেটে ৩০৭ রান। মাঠে গড়িয়েছে ৮১ ওভার। প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেওয়া ডি জর্জি ১৪১ রান নিয়ে দিন শুরু করেছেন। ১৮ রানে মাঠে নেমেছেন ডেভিড বেডিংহ্যামও। গতকাল দুটি উইকেটই নিয়েছেন তাইজুল ইসলাম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।