• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ক্ষমতায় গেলে এ দেশকে যুবকদের হাতে তুলে দেয়া হবে: জামায়াত আমির একটি দল ভোটকেন্দ্র দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছে: হাসনাত আবদুল্লাহ পুলিশের তাণ্ডব নির্বাচনকে ঘিরে ষড়যন্ত্রের আভাস: মঞ্জু যমুনা এলাকায় সংঘর্ষে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার হয়নি: ডিএমপি ইনকিলাব মঞ্চের জাবের ও রাকসুর জিএসসহ আহত অন্তত ২৩ ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা হলে শক্তহাতে প্রতিহত করার আহ্বান জামায়াত আমিরের একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি

খুলনায় ৫৭০ টাকার কৃষিপণ্য পাওয়া যাচ্ছে ৩২০ টাকায়

Reporter Name / ১৭৭ Time View
Update : সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৪

সারা দেশের মধ্যে তৃতীয় ধাপে খুলনায় শুরু হয়েছে ‘খোলা বাজারে বিক্রি (ওএমএস)’ নামে কৃষি বিপণন বিভাগের উদ্যোগে সাশ্রয়ী মূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রি কর্মসূচি। সোমবার (২৮ অক্টোবর) থেকে এই কর্মসূচির আওতায় ৫৭০ টাকা সমমূল্যের ৫টি পণ্যের প্যাকেজ ৩২০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে খুলনা মহানগরীর পাঁচ পয়েন্টে।

নিত্যপণ্যের আকাশছোঁয়া দাম নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা ও উদ্বেগের মধ্যে সরকারের এই কর্মসূচি চালু হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রামের পর এবার খুলনায় শুরু হলো এই কার্যক্রম।

ওএমএসের খুলনা মহানগরীর বিক্রয় কেন্দ্রগুলো হলো– বাংলাদেশ ব্যাংক মোড়, শিববাড়ি মোড়, খালিশপুর ওয়ান্ডারল্যান্ড পার্কের সামনে এবং খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন মোড়।

খুলনায় ওএমএস কার্যক্রমে ৩ কেজি আলু, ১ কেজি পেঁয়াজ, ১ ডজন ডিম, ১ কেজি ৩০০ গ্রাম কাঁচা পেঁপে ও ১ কেজি পটল এই ৫টি পণ্যের একটি প্যাকেজ বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি আলু ৩০ টাকায়, পেঁয়াজ ৭০ টাকায়, কাঁচা পেঁপে ১৫ টাকায়, পটল ৩০ টাকায় এবং ডিম ডজন ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এই হিসাব অনুযায়ী প্যাকেজের মোট মূল্য রাখা হচ্ছে ৩২০ টাকা।

একইদিনে এই ৫টি পণ্যের বাজার মূল্য ছিল– প্রতি কেজি আলু ৬০ টাকা, পেঁয়াজ ১১০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ৪০ টাকা, পটল ৫০-৬০ টাকা এবং ডিম ডজন প্রতি ১৬৫-১৭০ টাকা। এই হিসাবে বিক্রি করা প্যাকেজের বাজার মূল্য হয়  ৫৭০ টাকা।

প্যাকেজ পণ্য কিনতে আসা গোলাম রসুল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘৩২০ টাকায় যে পণ্য কিনলাম, বাজারে তার দাম আসতো ৬০০ টাকার ওপরে। এখানে সাশ্রয়ী মূল্যে পেয়ে ভালো লাগছে। আলু বাজারে ৬০ টাকা কেজি, এখানে ৩০ টাকা। ডিম ১৬৫-১৭০ টাকা ডজন বাজারে, এখানে ১১০ টাকা। এতেই বুঝতে পারবেন কতটা পার্থক্য আছে দামে।’

আরেকজন ক্রেতা নাসিমা বেগম বলেন, ‘দোকানের তুলনায় এখানে দাম সাশ্রয়ী হওয়ায় দরিদ্র মানুষদের জন্য এটা বড় প্রাপ্তি। দাম বেশি হওয়ায় দোকান থেকে স্বল্প পরিমাণে কিনতে হতো, আর দাম সাশ্রয়ী হওয়ায় একটি প্যাকেজ নিতে পারলাম।’

ট্রাক সেলের কর্মী রেজোয়ান শেখ জানান, একটি ট্রাকে ২০০ জনকে দেওয়ার মতো পণ্য আছে। প্রথম দিনের বিক্রির পর ক্রেতাদের আগ্রহ ও চাহিদার বিষয়ে জানা যাবে। প্রয়োজনে সামনের দিনে ট্রাক সংখ্যা বাড়ানো হতে পারে।

খুলনা কৃষি বিপণন অফিসের কৃষি প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম জানান, ট্রাকে প্রতিটি পণ্য এক হাজার ২৪০ কেজি এবং ২ হাজার ৪০০টি ডিম রয়েছে। প্রতি ট্রাক থেকে ২০০টি করে প্যাকেজ তৈরি হবে।

খুলনা কৃষি বিপণন বিভাগের সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তা (ইনচার্জ) আব্দুস সালাম তরফদার বলেন, ‘আপাতত বিভাগীয় শহরে পাঁচটি পয়েন্টে এ কার্যক্রম চালু হচ্ছে। উপজেলা পর্যায়ে চালুর চিন্তা করা হয়নি এখনও। পয়েন্টগুলোতে তিন জন কর্মচারী, দুজন আনসার সদস্য ও দুজন শ্রমিক নিয়ে আমাদের ট্রাক সেলে এ কার্যক্রম চলছে।’

কৃষি বিপণন অধিদফতরের মহাপরিচালক মাসুদ করিম জানান, টানা তিন বারের বন্যার কারণে পণ্যের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় নিম্নবিত্তরা গভীর সংকটে পড়েছেন। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে ভর্তূকি মূল্যে আমরা পণ্য দিচ্ছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।