• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

এই র দিনে খেতে কোথায় যাবেন?

Reporter Name / ২০৭ Time View
Update : সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

সকাল থেকেই ঝরছে বর্ষার বারিধারা। রিমঝিম বৃষ্টি উদযাপনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে ভুনা খিচুড়ির নাম। বৃষ্টির দিনে গরম গরম খিচুড়ি, বেগুন ভাজা, ইলিশ মাছ কিংবা গরুর মাংস খাওয়ার জন্য যেন মনটা কেমন করে। বাড়িতে আয়োজন করতে ইচ্ছে না করলে খিচুড়ি খাওয়ার জন্য ঢুঁ মারতে পারেন বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে। আবার হোম ডেলিভারির মাধ্যমে বাসায় এনেও খেতে পারেন ভুনা খিচুড়ি।

নানু’স ফুড ফ্যাক্টরির খিচুড়ি। ছবি- লেখক

১। কুকার্স সেভেন
কাওরানবাজার এলাকাবাসীর কাছে সুপরিচিত এই নামটি। দীর্ঘদিন ধরেই রেস্টুরেন্টটি পরিবেশন করে আসছে মজার সব খাবার। তবে সব খাবার ছাপিয়ে তাদের খিচুড়ির নামডাকটা একটু বেশিই। স্পেশাল হিলশা ভুনা খিচুড়ির সঙ্গে পরিবেশন করা হবে গরু অথবা মুরগির মাংস। এছাড়া গরুর মাংস অথবা মুরগির মাংসের সঙ্গেও ভুনা খিচুড়ি খেতে পারবেন। রয়েছে স্পেশাল সবজি খিচুড়ি ও রূপচাঁদা খিচুড়ি। আশেপাশের এলাকাগুলোতে হোম ডেলিভারিও দিয়ে থাকে রেস্টুরেন্টটি।

খিচুড়িজ এর খিচুড়ি। রেস্টুরেন্টটির ফেসবুক পেইজ থেকে নেওয়া ছবি

২। খিচুড়িজ 
বাংলা মোটর ওভারব্রিজের উল্টো দিকে রুপায়ন টাওয়ারে এই রেস্টুরেন্টের অবস্থান। খিচুড়ির জন্য বিশেষায়িত এই রেস্টুরেন্টে নানা স্বাদের খিচুড়ি মিলবে। মাটন ভুনা খিচুড়ি, বিফ খিচুড়ি, চিকেন রোস্ট খিচুড়ির সাথে মিলবে আচার, ভর্তা, বোরহানিসহ আরও বেশ কিছু আইটেম।

৩। নানু’স ফুড ফ্যাক্টরি
রেস্টুরেন্টটিতে আপাতত গিয়ে খাওয়ার সুযোগ থাকছে না। তবে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় হোম ডেলিভারি দিচ্ছে নানু’স ফুড ফ্যাক্টরি। এখানে বেশ কয়েক ধরনের খিচুড়ি রয়েছে। পছন্দ অনুযায়ী বিফ কষা, আলু দিয়ে মুরগির ঝোল, গরুর কালো ভুনা কিংবা ইলিশ দোপেঁয়াজা ও আচারি বেগুনের সঙ্গে পরিবেশন করা হয় আচারি খিচুড়ি।

বাঙালিয়ানা ভোজের খিচুড়ি। ছবি- লেখক

৪। বাঙালিয়ানা ভোজ
বেশ কয়েকটি শাখা রয়েছে বাঙালিয়ানা ভোজ রেস্টুরেন্টের। এর সবগুলোতে গেলেই মিলবে খিচুড়ির গ্র্যান্ড প্ল্যাটার। এতে খিচুড়ি ও ডিম ভাজার পাশাপাশি মিলবে তিন ধরনের ভর্তা, বেগুন ভাজা, গরুর মাংসের কালা ভুনা, ফিরনি ও সালাদ। এছাড়া আস্ত মুরগির থালিসহ প্ল্যাটার নিলে চার জনের খিচুড়ির পাশাপাশি ডিম ভুনা ও সালাদ মিলবে।

৫। প্রিমিয়াম সুইটস
যারা একটু পাতলা খিচুড়ি পছন্দ করেন, তাদের জন্য সেরা খিচুড়ি হতে পারে প্রিমিয়াম সুইটসের কালা ভুনা-আচারি খিচুড়ি।

ভোজের খিচুড়ি। ছবি- লেখক

৬। ভোজ
সেগুনবাগিচার শিল্পকলা একাডেমি সংলগ্ন রোডে পাবেন ভোজ রেস্টুরেন্টটি। ভোজের আচারি খিচুড়ি খেতে দূরদূরান্ত থেকে ভিড় জমান ভোজনরসিকরা। টাটকা খিচুড়ি পরিবেশন করা হয় গরু, মুরগি অথবা খাসির মাংসের সঙ্গে। আরও আছে হাঁস ও ইলিশ খিচুড়ি। বেশ আয়োজন করেই পরিবেশন করা হয় এই খিচুড়ি। বড় কাচের বাটিতে সেদ্ধ ডিম ও পছন্দের আইটেমের সঙ্গে থাকে খিচুড়ি। সঙ্গে আলাদা বাটিতে সিরকায় ভেজানো গোল করে কাটা পেঁয়াজ, পুদিনা ও ধনেপাতার চাটনি ও লেবু পরিবেশন করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।