• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৪:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না রাজশাহীতে নতুন জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলাম আগামী তিন মাসে যেকোনো বারের তুলনায় বাড়বে রাজস্ব আয়: প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র ঈদের ছুটি শেষে বিকেল ৩টায় বসছে জাতীয় সংসদের অধিবেশন ঈদ উপলক্ষে ট্রেন যাত্রীদের সহায়তায় রাসিক প্রশাসকের ব্যতিক্রমী প্রশংসনীয় উদ্যোগ ‘বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচারে বাধা নেই’ দেশের সব পেট্রোল পাম্পে নিয়োগ করা হবে ট্যাগ অফিসার নেপালে নতুন সরকারের শপথের পরদিনই সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্রেপ্তার রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফেরা নাসিমার মৃত্যু পদ্মায় বাসডুবিতে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসছে সংসদীয় কমিটি ও সরকারি দল

পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে চুরির অপবাদে তরুণকে

Reporter Name / ২৬৪ Time View
Update : শনিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৪

কক্সবাজারে গরু চুরির অপবাদে এক তরুণকে রাতভর পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় আরও ৪ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার (১৭ আগস্ট) ভোর ৫টার দিকে কক্সবাজার শহরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের সৈকতপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহত তরুণের নাম সাজ্জাদ হোসেন (২১)। তিনি একই ওয়ার্ডের মধ্যম কলাতলী এলাকার মো. আলমের ছেলে। তিনি ১ সন্তানের জনক বলে জানা যায়।

নিহত সাজ্জাদের পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১৬ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে সৈকতপাড়া এলাকার বাসিন্দা নুর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যরা গিয়ে সাজ্জাদকে তুলে নিয়ে আসে। পরে সেখানে গরু চুরির অপবাদে রাতভর পৈশাচিক নির্যাতন করে। এ সময় খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ছুটে গেলে তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়।

এ বিষয়ে সাজ্জাদের মা সাহেরা খাতুন বলেন, ‘আমার ছেলে কোনও দোষ না করা সত্ত্বেও সৈকতপাড়ার নুর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যরা তুলে নিয়ে যায়। পরে আমরা গেলে আমাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং ছেলে গরু চুরি করেছে বলে অপবাদ দেয়।’

নিহত সাজ্জাদের স্ত্রী শাহনাজ পারভীন (১৮) জানান, তার স্বামীকে হঠাৎ কয়েকজন মিলে তুলে নিয়ে যায়। পরে রাতে তাকে ছাড়িয়ে আনতে গেলে ১ লাখ টাকা দাবি করে। পরে তারা চলে আসলে হঠাৎ ভোর ৫টার দিকে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল থেকে অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন আসে এবং বলে তার স্বামীকে মর্গে রাখা হয়েছে।

পরে পরিবারের সদস্যরা সকালে সেখানে গেলে তার লাশ দেখতে পায়। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকলের সর্বোচ্চ শাস্তি কামনা করেছে সাজ্জাদের পরিবার। তারা জানান, নিরীহ নিরপরাধ মানুষকে যারা এভাবে মেরে ফেলেছে, তারা যেন পার না পায়।

কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুজ্জামান বলেন, ‘হত্যার বিষয়টি আমরা শুনেছি। ইতোমধ্যে একটি টিম সেখানে গেছে এবং বিষয়টা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।