• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

দুই উপজেলা চেয়ারম্যান ওসাবেক এমপি স্কুলছাত্র হত্যা মামলার প্রধান আসামি

Reporter Name / ১৯৩ Time View
Update : শনিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৪

বগুড়ার সোনাতলায় বিজয় মিছিলে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাব্বির হাসানকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগে ২০ জনের নাম উল্লেখ করে ৪০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) রাতে নিহতের বাবা শাহীন আলম সোনাতলা থানায় এ মামলা করেন।

এজাহারে বগুড়া-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাহাদারা মান্নান, তার ছেলে সারিয়াকান্দি উপজেলা চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন সজল ও ভাই সোনাতলা উপজেলা চেয়ারম্যান এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট মিনহাদুজ্জামান লিটনকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।

সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবু কুমার সাহা মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, তদন্ত সাপেক্ষে আসামিদের গ্রেফতার করা হবে।

মামলার অন্য উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন সোনাতলা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নবীন আনোয়ার কমরেড, দিগদাইড় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নিরাঞ্জন চন্দ্র রায়, সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ আলম সোহেল, দিগদাইড় ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক আরিফুর রহমান পলাশ, সোনাতলা ঘোড়াপীড় এলাকার ডা. ওসমান আলীর ছেলে মিনহাজুল ইসলাম ছাড়াও গাবতলী উপজেলার বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী।

এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশত্যাগের পর সোনাতলা উপজেলার সৈয়দ আহম্মদ কলেজ স্টেশন এলাকায় বিজয় মিছিল বের করা হয়। এ সময় আন্দোলনকারী ও দুর্বৃত্তদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে ছুরিকাঘাতে নিহত হয় স্কুলছাত্র সাব্বির হাসান।

সাব্বির বগুড়ার গাবতলী উপজেলার তেলিহাটা গ্রামের শাহীন আলমের ছেলে ও সুখানপুকুর উচ্চবিদ্যালয়ের ভোকেশনাল শাখার নবম শ্রেণির ছাত্র। স্বজনরা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করেন।

এ প্রসঙ্গে সোনাতলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আনোয়ার বাদশা জানান, ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ ও দেশত্যাগের পর আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গসংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের নতুন বাংলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ সময় দলীয় নেতাকর্মীরা এলাকাছাড়া হন। তাই ১৭ কিলোমিটার দূরের ওই হত্যার সঙ্গে তাদের কোনও সম্পৃক্ততা নেই। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এ মামলায় তাদের আসামি করা হয়েছে।

দিগদাইড় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নিরাঞ্জন চন্দ্র রায় বলেন, ‘নিহত সাব্বির হাসান তার রাইস মিলে লুটপাটের জন্য এলে জনতার প্রতিরোধের মুখে সে নিহত হয়।’

বাদীর উদ্ধৃতি দিয়ে সোনাতলা থানার ওসি বাবু কুমার সাহা জানান, গত ৫ আগস্ট বিজয় মিছিল চলাকালে আসামিরা স্কুলছাত্র সাব্বির হাসানকে বার্মিজ চাকুর আঘাতে হত্যা করে। এ ব্যাপারে কেউ পুলিশকে অবহিত করেনি। বাদীর মামলা তদন্ত করে আসামিদের গ্রেফতার করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।