• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলে ভাইরাল সেই আ.লীগ নেতা কারাগারে

Reporter Name / ২৪৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৪

বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবিরকে চাঁদাবাজি মামলায় জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। বুধবার (১৪ আগস্ট) বিকালে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. মাহবুব আলম তাকে কারাগারে প্রেরণ করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন ২০১১ সালে বরগুনা সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারুন-অর রশিদ হাওলাদারের নিকট থেকে বিভিন্ন সময়ে চাঁদা দাবি করেন জাহাঙ্গীর কবির। সে সময় চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে লোকজন নিয়ে বাদীর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান-দোকানঘর দখল করেন বিবাদী। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকার কারণে তার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ দিতে পারেননি ওই বিএনপি নেতা।

মামলার বাদী হারুন-অর রশিদ হাওলাদার বলেন, ‘বরগুনা পৌরসভার সদর রোডে আমার হারুন মোটরস নামে একটি দোকানঘর ছিল। ২০১১ সালে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির আমার কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে আমাকে খুন জখমের ভয়ভীতি দেখিয়ে লোকজন নিয়ে আমার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান দখল করে নিয়ে যায়। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকার কারণে কোনও অভিযোগ করতে পারিনি, তাই এর কোনও সুষ্ঠু বিচারও পাইনি। এখন মামলা করার সুযোগ হয়েছে তাই তার বিরুদ্ধে মামলা করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার করা চাঁদাবাজি মামলায় আদালত তাকে জামিন না দিয়ে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন। আশা করি, আদালতের মাধ্যমে সুষ্ঠু বিচার পাবো।’

এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম মিজানুর রহমান বলেন, ‘বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবিরের বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ঢাকার একটি পুলিশের টিম ও বরগুনা সদর থানার পুলিশের সহযোগিতায় তাকে বুধবার সকাল ৬টার দিকে গ্রেফতার করা হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘তার (জাহাঙ্গীর কবির) বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই মামলার ভিত্তিতে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতের বিচারক তার জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।’

এর আগে, সোমবার (১২ আগস্ট) সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এই নেতা। ফেসবুকে ভাইরাল তিন মিনিটের ফোনালাপে শেখ হাসিনা জাহাঙ্গীর কবিরকে বলেন, ‘আপনারা শৃঙ্খলা মেনে দলীয় কার্যক্রম চালাবেন। ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসকে যথাযথভাবে পালন করবেন।’ এ সময় জাহাঙ্গীর কবির শেখ হাসিনাকে বলেন, ‘আপা আপনি ঘাবড়াবেন না। আপনি ঘাবড়ালে আমরা দুর্বল হয়ে যাই। আমরা শক্ত আছি।’

জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি ঘাবড়াবো কেন? আমি ভয় পাইনি। আপনারা দেখছেন, আমাদের পুলিশ বাহিনীকে মেরে কীভাবে ঝুলিয়ে রেখেছে। আমাদের কর্মীদের মেরেছে। বোরকা পরে মেরেছে। এ দেশটা রক্তের বিনিময়ে স্বাধীন হয়েছে। আপনারা যেভাবে আছেন থাকেন।’


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।