• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

টেস্ট ক্রিকেট গত বছরের জুলাইয়ের পর ড্র দেখলো

Reporter Name / ১৯৮ Time View
Update : সোমবার, ১২ আগস্ট, ২০২৪

বৃষ্টির কারণে নষ্ট হয়েছে ১৪২ ওভার। তার পরেও পোর্ট অব স্পেনে সিরিজের প্রথম টেস্টে জয়ের স্বপ্ন দেখছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই লক্ষ্যে প্রথম সেশনে দ্রুত রান তুলে দুই সেশনের বেশি বল করার সুযোগ পেয়েও ক্যারিবিয়ানদের প্রতিরোধ তারা ভাঙতে পারেনি। প্রোটিয়ারা ২৯৮ রানের লক্ষ্য দিলেও শেষ দিনে ক্যারিবিয়ানরা ৫ উইকেটে ২০১ রানে দিন শেষ করায় ড্রয়ে শেষ হয়েছে এই টেস্ট।

ক্যারিবিয়ানদের হয়ে দৃঢ়চেতা মানসিকতায় ব্যাট করেছেন অ্যালিক আথানেজ। মাত্র অষ্টম টেস্ট ম্যাচ খেলতে নামা এই ব্যাটার ক্যারিয়ার সেরা ৯২ রানের ইনিংস উপহার দিয়েছেন। শুধু কি তাই? টেস্ট বাঁচাতে কাভেম হজ ও জেসন হোল্ডারকে সঙ্গে নিয়ে উপহার দিয়েছেন দুটি হাফসেঞ্চুরি জুটি! তাতে ২৮ ম্যাচ আর গত বছরের জুলাইয়ের পর ড্র দেখলো টেস্ট ক্রিকেট।

অবশ্য জয়ের সম্ভাবনা থাকার পরেও এই টেস্ট ড্র হওয়ায় প্রোটিয়াদের একাদশ নির্বাচন নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠেছে। পঞ্চম ফ্রন্ট লাইন বোলারের বদলে বাড়তি ব্যাটার নেওয়ায় সেটা জন্ম দিয়েছে প্রশ্নের। তাতে বাড়তি চাপটা পড়েছে দুই বোলার কেশব মহারাজ ও কাগিসো রাবাদার ওপর। দুই ইনিংসে বামহাতি স্পিনার মহারাজ ৬৬.২ ওভার বল করতে বাধ্য হয়েছেন। গতিময় বোলার রাবাদাকেও করতে হয়েছে ৩০ ওভারের মতো! লুঙ্গি এনগিদি ও ভিয়ান মুল্ডার ৩০.৫ ওভার বোলিংয়ে অবদান রেখেছেন। দ্বিতীয় স্পেশালিস্ট স্পিনার না থাকায় এইডেন মারক্রাম করেছেন ২১ ওভার।

পঞ্চম সকালে রান তোলার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামে সফরকারী দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথম দশ ওভারে টনি ডি জর্জি ও মারক্রাম মিলে ৪৮ রান তুলেছেন। দুই ওপেনার মিলে যোগ করেন ৭৮ রান। জর্জি ৪৫ রানে আউট হলে ভাঙে জুটি। তার পর মারক্রাম ৩৮ রানে ফিরেছেন। এই সময় ঝড়ো গতিতে ব্যাট করেছেন ত্রিস্টান স্টাবস। আউট হওয়ার আগে ৫০ বলে ৬ চার ও ২ ছক্কায় ৬৮ রান তুলেছেন তিনি। অধিনায়ক বাভুমা ১৫ রানে অপরাজিত থেকেছেন। তাতে ৩ উইকেটে দ্বিতীয় ইনিংসে ১৭৩ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে প্রোটিয়া দল।

২৯৮ রানের লক্ষ্যে যেভাবে ক্যারিবিয়ান শুরু করেছিল তাতে বিপদই বাড়ছিল তাদের। ১৮ রানের মধ্যে মহারাজ ও রাবাদার বোলিংয়ে ফেরেন দুই ওপেনার। এই সময়ে বৃষ্টির কারণে নষ্ট হয়েছে আরও এক ঘণ্টা।

কেসি কার্টিকে নিয়ে তার পর বিপদ সামাল দেন আথানেজ। কার্টি ৩১ রানে ফিরলেও আথানেজ প্রতিরোধের দেয়াল গড়ে খেলেছেন। এক পর্যায়ে জয়ের সম্ভাবনা যখন মিলিয়ে গেছে তখন ৬.৪ ওভার বাকি থাকতেই ম্যাচের সমাপ্তি মেনে নেয় সফরকারী দল। দিন শেষে হোল্ডার ৩১ রানে অপরাজিত ছিলেন। জশুয়া ডা সিলভা ছিলেন ২ রানে।

দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৮ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন মহারাজ। ৩৮ রানে একটি শিকার রাবাদার।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৫৭ (টনি ৭৮, বাভুমা ৮৬;ওয়ারিক্যান ৪/৬৯, সিলস ৩/৬৭) ও ১৭৩/৩ডি. (স্টাবস ৬৮, জর্জি ৪৫; ওয়ারিক্যান ২/৫৭)

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২৩৩ (কার্টি ৪২, হোল্ডার ৩৬; মহারাজ ৪/৭৬, রাবাদা ৩/৫৬) ও ২০১/৫ (আথানেজ ৯২, কার্টি ৩১, হোল্ডার ৩১*; মাহারাজ ৪/৮৮)


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।