• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

বঙ্গবন্ধুর কুশলী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কাজ করেছেন সিরাজুল আলম খান: ইনু

Reporter Name / ১৬১ Time View
Update : শনিবার, ৮ জুন, ২০২৪

‘গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্রের পক্ষে গণচেতনা গড়ে তুলে সিরাজুল আলম খান বাংলাদেশের স্বাধীনতাসংগ্রামের ভিত্তি রচনা করেছিলেন। বাংলাদেশের ইতিহাস নির্মাতাদের নির্মাতা তিনি। কিন্তু আজ বাংলাদেশে দুর্বৃত্ত পুঁজির কাল চলছে। এর থেকে মুক্তির জন্য আমাদের একাত্তর ও ঊনসত্তরের চেয়ে বেশি কঠিন সংগ্রাম করতে হবে।’

শুক্রবার (৭ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও বাংলাদেশের রাজনীতির ‘রহস্য পুরুষ’খ্যাত সিরাজুল আলম খানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। এই সভার আয়োজন করে সিরাজুল আলম খান ফাউন্ডেশন ও রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এসএকে)।

ছয় দফাকে কেন্দ্র করে মুক্তিযুদ্ধে সিরাজুল আলম খানের অবদান কিংবদন্তিতুল্য মন্তব্য করে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাস নির্মাতাদের নির্মাতা সিরাজুল আলম খান। বঙ্গবন্ধুর কুশলী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের তিনি মাঠের নায়ক হিসেবে কাজ করেছেন।’

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদের উপদেষ্টা খালেকুজ্জামান বলেন, ‘সিরাজুল আলম খান বাংলাদেশের ইতিহাসের অনেক বড় একটি অধ্যায়। স্বাধীনতাসংগ্রামের পাশপাশি তিনি রাজনীতিতে আপসহীন ধারার রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি যে সাম্যের গণচেতনা তৈরি করেছিলেন, তা আজ নেই, মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকার থেকে রাষ্ট্রব্যবস্থা সরে গেছে। স্বৈরতন্ত্র ও লুটেরাদের ধারাবাহিক রাজনীতি ও কালাকানুন চলছে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অর্থনীতিবিদ ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, ‘বাংলাদেশে দুর্বৃত্ত পুঁজির কাল চলছে। এ থেকে মুক্তির জন্য আমাদের একাত্তর ও ঊনসত্তরের চেয়ে বেশি কঠিন সংগ্রাম করতে হবে। সিরাজুল আলম খান বেঁচে না থাকার ফলে যে শূন্যতা, তা আমরা এই সংগ্রামে অনুভব করবো।’

বর্তমান প্রেক্ষাপটে সিরাজুল আলম খানের নেতৃত্ব সবচেয়ে প্রয়োজন মন্তব্য করে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘স্বাধীনতাসংগ্রামে সিরাজুল আলম খান যে ভূমিকা রেখেছেন, তা না হলে বাংলাদেশ এত দ্রুত স্বাধীন হতো না। আজ দেশ যে মাফিয়া চক্রের কবলে, এ থেকে পরিত্রাণের জন্যও তার সবচেয়ে প্রয়োজন ছিল।’

আইন ও সালিস কেন্দ্র (আসক) সভাপতি জেড আই খান পান্না বলেন, ‘বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে সিরাজুল আলম খানের অবদান শত চেষ্টা করলেও মুছে ফেলা যাবে না। তিনি তার জীবনের শেষ সময়গুলোতেও সৎ ব্যক্তিদের ঐক্য দেখতে চাইতেন। অথচ আজ বাংলাদেশে অসৎ পথের আয়কারীদের উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। আমাদের তার শিক্ষা-দীক্ষায় সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।’

সভায় সভাপতিত্ব করেন এসএকের সভাপতি সাংবাদিক আবু সাঈদ খানের সভাপতিত্বে সভায় ‘স্বাধীনতাসংগ্রাম ও সিরাজুল আলম খান’ শীর্ষক প্রবন্ধ পাঠ করেন লেখক ও গবেষক শামসুদ্দিন পেয়ারা। আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডির) সহ-সভাপতি এম এ আউয়াল, চিকিৎসক ডা. এবিএম প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।