• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

ভোটের হার বেশি পাহাড়ে

Reporter Name / ১৫৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০২৪

দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সমতলের তুলনায় পাহাড়ে ভোটের হার বেশি পড়েছে। পাশাপাশি দুর্গম উপজেলাগুলোতেও তুলনামূলকভাবে ভোটের হার বেশি ছিল। এদিকে ব্যালটের চেয়ে ইভিএমে ভোটের হার কম পড়েছে। বুধবার (২২ মে) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের তৈরি সমন্বিত ফলাফল থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

দ্বিতীয় ধাপের ভোট শেষে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সমন্বিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (২১ মে) দ্বিতীয় ধাপে ১৫৬টি উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ৩টিতে চেয়ারম্যান পদে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। নির্বাচন কমিশন থেকে ১৫৩টি উপজেলার ফলাফল সমন্বয় করা হয়েছে। এ ধাপে গড় ভোট পড়েছে ৩৭.৫৭ শতাংশ।

দ্বিতীয় ধাপে ১৫৩টি উপজেলার মধ্যে পাবর্ত্য তিন জেলার আটটি উপজেলায় নির্বাচন হয়েছে। আটটি উপজেলায় ৪ লাখ ৬০ হাজার ৪৩৩ জন ভোটারের মধ্যে ২ লাখ ৫৮ হাজার ২৭৩ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। পার্বত্য অঞ্চলের এই ৮ উপজেলায় গড় ভোট পড়েছে ৫৬ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। এ আট জেলার মধ্যে সবচেয়ে কম হারে ভোট পড়েছে কাপ্তাই উপজেলায়। সেখানে ভোট পড়েছে ৪২ দশমিক ৬৮ শতাংশ— যা দ্বিতীয় ধাপের গড় ভোটের চেয়ে ৪ শতাংশ বেশি। দ্বিতীয় ধাপের সর্বোচ্চ হারে ভোট পড়া উপজেলাটিও পাহাড়ের। খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলায় এ ধাপে সর্বোচ্চ ৭৪ দশমিক ৯৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে গড় ভোটের চেয়ে প্রায় ২০ শতাংশ ভোট বেশি পড়েছে এখানে।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরাপত্তা বিবেচনায় দেশের ২৫টি জেলার ৭৩টি উপজেলাকে দুর্গম ঘোষণা করেছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পার্বত্যসহ দেশের হাওর, চর ও নদী বেষ্টিত অঞ্চলের দুর্গম ঘোষিত এই ৭৩টি উপজেলার মধ্যে পাহাড়ের ৮টিসহ ১৬টি উপজেলায় দ্বিতীয় ধাপে ভোট হয়েছে। এই দুর্গম অঞ্চলের ভোটের হারও সমতলের চেয়ে তুলনামূলক বেশি। ১৬টি উপজেলার গড় ভোট ৪৮ দশমিক ৭২ শতাংশ। এ সব উপজেলায় ১৫ লাখ ৪৭ হাজার ২২০ জন ভোটারের মধ্যে ৭ লাখ ৫৩ হাজার ৮৩৭ জন তাদের ভোট দিয়েছেন। হাওর, চর ও নদী বেষ্টিত ৮ উপজেলায় দ্বিতীয় ধাপে গড় ভোট পড়েছে ৪৫ দশমিক ৬০ শতাংশ। অবশ্য পাহাড় ও দুর্গম এলাকায় ভোটারের সংখ্যা স্বাভাবিক উপজেলার তুলনায় বেশ কম।

প্রথম ধাপের ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয় ধাপেও ব্যালটের চেয়ে ইভিএমে ভোটের হার কম হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে ২৩টি উপজেলায় ইভিএমে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৪৮ লাখ ৬ হাজার ৬৯৫ ভোটারের মধ্যে ১৫ লাখ ৪৬ হাজার ৪৩১ জন ভোট দিয়েছেন। ইভিএমে ভোটের হার ৩২ দশমিক ১৭ শতাংশ। ইভিএমে সব চেয়ে বেশি হারে ভোট পড়েছে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে। এখানে ভোট পড়েছে ৪৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

এদিকে ইভিএমের তুলনায় ব্যালটে ভোটের হারের ব্যবধান প্রায় দ্বিগুণ। ব্যালটে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন ভোটের হারের ব্যবধান ৫৭। অপরদিকে ইভিএমে এই ব্যবধান হচ্ছে ৩০।

অপরদিকে সব চেয়ে কম ভোট পড়েছে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায়। ব্যালটে অনুষ্ঠিত এ উপজেলায় ভোটের হার ১৭ দশমিক ৯৮ শতাংশ। অপরদিকে ইভিএমে সব চেয়ে কম হারে ভোট পড়েছে পাবনার চাটমোহর উপজেলায়। এ উপজেলায় ভোটের হার ১৮ দশমিন শূণ্য ১ শতাংশ।

গত ৮ মে অনুষ্ঠিত প্রথম ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির হার ছিল ৩৬ দশমিক ১৮ শতাংশ। এর মধ্যে ইভিএমে ভোট নেওয়া ২১ উপজেলার ভোটের হার ৩১ দশমিক ৩১ শতাংশ। আর ব্যালটে ভোট পড়ার হার ৩৭ দশমিক ৩১ শতাংশ।

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে রেকর্ড সংখ্যক কম ভোটার উপস্থিতির পর দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনেও ভোটের হারের তেমন উন্নতি হয়নি। ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় ও প্রার্থীদের কাছে ভোটের পরিবেশ তুলে ধরে কেন্দ্রে ভোটাদের আনার ব্যাপারে জোর দেওয়া হলেও সেই উদ্যোগ কাজে আসেনি। প্রথম ধাপের তুলনায় এক-শতাংশের মতো ভোট দ্বিতীয় ধাপে বেড়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।