• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

কাশিয়াডাঙ্গা থানার অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামি গ্রেপ্তার

Reporter Name / ১৫৮ Time View
Update : সোমবার, ২৫ মার্চ, ২০২৪

রাজশাহী মহানগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পারিবারিক আদালতের মামলায় ৩ মাসের সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে আরএমপি’র কাশিয়াডাঙ্গা থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন মো: সুজন আলী ও মো:শাহিন আলী । সুজন কাশিয়াডাঙ্গা থানার হাড়ুপুর এলাকার মো: আকবর আলীর ছেলে। সে বর্তমানে মহানগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার কাঁঠালবাড়িয়া এলাকায় বসবাস করে ও শাহিন রাজশাহী মহানগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার হড়গ্রাম ঠাকুরমারা গ্রামের মো: সেলিম মন্ডলের ছেলে।

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, আসামি মো: সুজন আলী ও মো:শাহিন আলীর বিরুদ্ধে আরএমপি’র কাশিয়াডাঙ্গা থানায় পারিবারিক আদালতের মামলায় ৩ মাসের সাজাপ্রাপ্ত গ্রেফতারি পরোয়ানা মুলতবি ছিল। আসামিদ্বয়কে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করতে অভিযান অব্যাহত রাখে কাশিয়াডাঙ্গা থানা পুলিশ। গতকাল ২৪শে মার্চ ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ সকালে তাঁরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন, আসামি সুজন আলী কাশিয়াডাঙ্গা থানাধীন কাঁঠালবাড়িয়া মোড়ে অবস্থান করছে।

উক্ত সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে কাশিয়াডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মো: এমরান হোসেনের এএসআই মো: শাহিন উদ্দিন ও তাঁর টিম গতকাল সকাল সাড়ে ৯ টায় অভিযান পরিচালনা করে আসামি সুজনকে কাঁঠালবাড়িয়া মোড় থেকে গ্রেপ্তার করে।

অপর একটি অভিযানে কাশিয়াডাঙ্গা থানার এএসআই মো: গোলাম মোস্তফা গতকাল ২৪শে মার্চ ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ সকাল পৌনে ১০ টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে আসামি শাহিনকে ঠাকুরমারা কলোনি থেকে গ্রেপ্তার করেন।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিদ্বয়কে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।