• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

বরিশাল নাকি রংপুর ফাইনালে কুমিল্লার সঙ্গী কে,

Reporter Name / ১৭৬ Time View
Update : বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
ফাইনালে কুমিল্লার সঙ্গী কে, বরিশাল নাকি রংপুর
ফাইনালে কুমিল্লার সঙ্গী কে, বরিশাল নাকি রংপুর

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ফাইনালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের সঙ্গী কে? ফরচুন বরিশাল নাকি রংপুর রাইডার্স। এই প্রশ্নের উত্তর মিলবে আজ রাতেই। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে বুধবার দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে মুখোমুখি হচ্ছে বরিশাল ও রংপুর। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ম্যাচটি শুরু হবে। যা সরাসরি সম্প্রচার করবে টি-স্পোর্টস ও গাজী টেলিভিশন। এই ম্যাচের জয়ী দল আগামী ১ মার্চের ফাইনালে কুমিল্লার বিপক্ষে শিরোপা লড়াইয়ে মাঠে নামবে।

বিপিএলের লিগ পর্ব পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থেকে শেষ করেছিল রংপুর রাইডার্স। কিন্তু প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে চারবারের চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের কাছে হেরে যায় তারা। প্রথম কোয়ালিফায়ারে হারলেও ফাইনালে যাওয়ার দ্বিতীয় সুযোগ পাচ্ছে সাকিব-সোহানদের নিয়ে গড়া রংপুর। অন্যদিকে এলিমিনেটর রাউন্ডে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সকে বিদায় করে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারের টিকিট নিশ্চিত করে তামিম ইকবালের দল। আজ রংপুরকে হারাতে পারলে তামিমরা ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করবে।

তবে বুধবার রংপুর-বরিশালের মধ্যকার ম্যাচে দলীয় লড়াই ছাপিয়ে আলোচনায় ব্যক্তিগত দ্বৈরথ। মাঠের ক্রিকেটের বাইরে এখন নানা কিছুতে সাকিব-তামিমের মধ্যে চাপা লড়াই চলছে। লিগ পর্বে সাকিব আক্রমণে আসতেই প্রথম বলে আউট হয়েছিলেন তামিম। তখন সাকিব স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে উদযাপন করেছিলেন। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে সাকিব আউট হওয়ার পর দেখা গেলো তামিমকে বামহাতি অলরাউন্ডারের উদযাপন অনুকরণ করতে। তার মুখাবয়বে দেখা যায় বিদ্রুপের ছাপও। এসব লড়াই ভক্ত, সমর্থকদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়েছে। স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে এজন্য প্রতিপক্ষের দুয়োধ্বনিও শুনতে হচ্ছে তাদের। এর বাইরে তামিম আর ফারুকির লড়াইতো বেশ আলোচিতই। সবকিছু মিলিয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচটি রূপ নিয়েছে ব্যক্তিগত দ্বৈরথে।

ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ম্যাচ ও ম্যাচের প্রাসঙ্গিক আলোচনা বাদ দিয়ে দুই দলের দুই কোচকে সাকিব-তামিমের ‘লড়াই’ নিয়েই বেশি কথা বলতে হলো। মিরপুরে অনুশীলনের পর বরিশালের কোচ মিজানুর রহমান বাবুল বললেন, ‘আমরা নিজেদের খেলাটা উপভোগের চেষ্টা করি। ম্যাচের মধ্যে তামিম-সাকিবের জিনিসটা আমাদের মাথায় আসে না। আমি চাই, যে দলে কাজ করি… তামিম সেরা ক্রিকেট খেলুক, আমার দল জিতুক। দুজন অবশ্যই বাংলাদেশের দুই সেরা ক্রিকেটার, দুজন দুই দলে খেলে। তারা চাইবে নিজেদের দলকে জেতাতে। এই টুর্নামেন্টে দুজনই ভালো ক্রিকেট খেলছে। তাই যে ভালো খেলবে, তার দল জিতবে।’

রংপুরের কোচ সোহেল ইসলাম বলেছেন, ‘ব্যক্তিগত ইস্যু নিয়ে আমার আসলে বলার কিছু নেই। আমি দল নিয়ে চিন্তা করি। প্রতিপক্ষ দলে যারা আছে তারাও দলের পার্ট। দলের পারফরম্যান্স, দলের প্লেয়ার এগুলো নিয়েই চিন্তা করি। ব্যক্তিগত ইস্যু নিয়ে চিন্তা করার কোনো অপশন নাই।’

অলিখিত সেমিফাইনালে তামিমের লড়াইটা যে সাকিবের সঙ্গেই হবে এটা বলাই যায়। তবে তামিমকে আরেকজনের সঙ্গেও লড়তে হবে। প্রথম কোয়ালিফায়ারে রংপুর খেলিয়েছে আফগানিস্তানের পেসার ফজল হক ফারুকিকে। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে সেই ফারুকির সামনেই তামিম পড়তে যাচ্ছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দাপিয়ে বেড়ানো তামিম বাঁহাতি পেসারের বলে বেশ ভুগেছেন। বাংলাদেশের বিপক্ষে যে চারটি ওয়ানডে ফারুকি খেলেছেন চারটিতেই তামিমকে সাজঘরে ফিরিয়েছেন। ভারত বিশ্বকাপেও এই ফারুকির কারণেই তামিমের খেলা হয়নি।

টিম ম্যানেজমেন্টর পরিকল্পনা ছিল, তামিমকে আফগানিস্তানের পেসার ফজল হক ফারুকির মুখোমুখি না করতে। এজন্য বিসিবির কেউ ফোন করে তাকে বলেছিল, আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে না খেলতে এবং খেললেও পরে ব্যাটিং করতে। যা মোটেও ভালোভাবে নেননি তামিম। এই কারণে বিশ্বকাপের আগে নিজের নাম প্রত্যাহার করে নেন বাঁহাতি ওপেনার। বুধবারের ম্যাচে তামিম-ফারুকির এই লড়াই বিপিএলে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।  যদিও বরিশালের কোচের সাফ কথা, বোলারকে নয় তামিম খেলবে বল দেখে। আর বিষয়টা অনেক দিন আগের, তাই মাঠে নেমে কারো মাথায় কিছুই থাকবে না বলে বিশ্বাস তার, ‘আমার মনে হয়, ফারুকির যে ব্যাপারটা, সেটা আরও দুই বছর আগের ঘটনা। এখন আর ওই অবস্থায় নেই। তামিমও খুব ভালো অবস্থানে আছে। এখন সেটার পুনরাবৃত্তি ঘটার কোনো কারণ দেখছি না।’


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।