• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

সংরক্ষিত আসনের এমপি হতে চান রাজশাহীর মর্জিনা পারভীন

Reporter Name / ২১৪ Time View
Update : শনিবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৪
রাজশাহীতে সংরক্ষিত আসনের এমপি হতে চান মর্জিনা পারভীন
রাজশাহীতে সংরক্ষিত আসনের এমপি হতে চান মর্জিনা পারভীন

প্রিয়জন ডেস্কঃ

রাজশাহী ব্যুরো, দ্বাদশ জাতীয় সংসদের রাজশাহী থেকে সংরক্ষিত আসনের এমপি হতে চান রাজশাহী জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মর্জিনা পারভীন। তিনি ২০০৫ সাল থেকে অদ্যবধি সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন।এছাড়াও তিনি রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য। তিনি রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার রাজারহাতা এলাকার বাসিন্দা।

এছাড়াও তার রাজনৈতিক অঙ্গনে রয়েছে নানান অবদান। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হওয়ার বিষয়ে আশাবাদী।

তিনি মনে করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে এ সুযোগ করে দিলে তিনি সংসদে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন। মহিলা আওয়ামী লীগের অনেকেরই সংসদে প্রতিনিধিত্ব করে চলেছেন। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের টিকিট নিয়ে অনেকেই এমপি হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। যারা সরাসরি ভোটে এমপি হতে পারেননি, এমন অনেককে সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি করার নজির রয়েছে। অনেকে মন্ত্রীও হয়েছেন।

রাজশাহী জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মর্জিনা পারভীন বলেন, আমি দীর্ঘদিন যাবত আওয়ামী লীগের রাজনীতি সঙ্গে জড়িত আছি। সে জন্য সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন চাইবো। দল যোগ্য মনে করলে আমাকে মনোনয়ন দেবে বলে আশা করি। আমি মহিলা ও সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। বাংলাদেশের পাশাপাশি রাজশাহী যেন এগিয়ে যেতে পারে আমি সে লক্ষে কাজ করবো ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ রক্ষা করে রাজনীতির পথ পাড়ি দিতে চাই।

রাজশাহী জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মর্জিনা পারভীন

রাজশাহী জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মর্জিনা পারভীন

রাজনীতি কার্যক্রম : মর্জিনা পারভীন ২০০৫ সাল থেকে অদ্যবধি প্রায় ১৯ বছর ধরে রাজশাহী জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব নিয়ে মহিলা আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করে শক্তিশালী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এক সময়ে জামায়াত-বিএনপির ঘাঁটিকে বর্তমানে মহিলা আওয়ামী লীগের ঘাটি হিসেবে পরিচিত লাভ করেছেন।

মর্জিনা পারভীনের রাজনীতি শুরু হয় ১৯৮৬ সালের দিক চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার ইউসুফ আলী কলেজ শাখার সহ-সভাপতির মধ্য দিয়ে। পরবর্তীতে তিনি ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত রাজশাহী জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যও নির্বাচিত হন।

১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগষ্টে পর পরিবারের ভূমিকা: মর্জিনা পারভীনের পিতা এলাকায় বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদে এবং হত্যাকারীদের শাস্তির দাবিতে জনমত গঠনে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে এবং তার বড় ভাই তৎকালীন সময়ে রাজশাহী কলেজ ছাত্রলীগের নেতা থাকা অবস্থায় বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদ করে সভা ও সমাবেশ করে।

কোভিড-১৯/ করোনা ভাইরাসের প্রাদূর্ভাবে ভূমিকা: বিশ্ববাপী বৈশ্বিক প্রানঘাতি করোনা সর্ম্পকে সর্বস্তরে জনগনকে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে জন সচেতনতার বৃদ্ধির জন্য স্বাস্থ্যবিধী মেনে মানববন্ধন, মাস্ক বিতরন ও হ্যান্ডস্যানিটাইজার সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক উপকরন বিতরন। অসহায়, স্বামী পরিত্যাক্ত, রিদ্র জনগোষ্ঠি, রিক্সাওয়ালাসহ কর্মহীন জনগোষ্ঠির মাঝে খাদ্য বিতরণ করেন। সরাসরি নারীদের রাজনৈতিক কর্মকান্ডে আরো গতিশীল নেতৃত্বের জন্য সংরক্ষিত ১০০ টি আসনের জন্য মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কার্যক্রম ব্যাস্তবায়ন করেন যা সুশিল সমাজে সমাদৃত হয়েছে।

রাজনৈতিক অঙ্গন ছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে যু্ক্ত হয়ে নারীসহ অসহায় মানুষদের জন্য কাজ করে চলেছেন। এসব কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ তিনি রাজশাহী বিভাগ, জেলা ও মহানগরীর শ্রেষ্ঠ জয়িতা নির্বাচিত হয়ে পুরস্কারসহ নানান সম্মনানা পেয়েছেন।

মর্জিনা পারভীনের অঙ্গীকার ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা ও অসম্প্রায়িক সমাজ গড়া ও মানবকল্যানে নিয়োজিত থাকা ও বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা ও জননেত্রী শেখ হাসিনার।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।