• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

বিপিএল: সিলেটকে হারিয়ে শুভ সূচনা চট্টগ্রামের

Reporter Name / ১৯৪ Time View
Update : শনিবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৪

দুই ব্যাটার শাহাদাত হোসেন ও আফগানিস্তানের নাজিবুল্লাহ জাদরানের দুর্দান্ত জুটিতে জয় দিয়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের দশম আসর শুরু করলো চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। আজ টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ম্যাচে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ৭ উইকেটে হারিয়েছে মাশরাফি বিন মর্তুজার সিলেট স্ট্রাইকার্সকে। ১৭৮ রানের টার্গেটে চতুর্থ উইকেটে ৬৮ বলে ১২১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন শাহাদাত ও নাজিবুল্লাহ। শাহাদাত ৫৭ ও নাজিবুল্লাহ ৬১ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন।

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে সিলেটকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় চট্টগ্রাম। ব্যাট হাতে সিলেটকে ৫০ বলে ৬৭ রানের শুভ সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার মোহাম্মদ মিঠুন ও নাজমুল হোসেন শান্ত। পাওয়ার প্লেতে ৪৭ রান তোলেন তারা।

নবম ওভারে সিলেটের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন চট্টগ্রামের বাঁ-হাতি স্পিনার নিহাদুজ্জামান। ৭টি চারে ৩০ বলে ৩৬ রান করা শান্তকে শিকার করেন তিনি।

শান্ত ফেরার পর বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেননি মিঠুনও। আয়ারল্যান্ডের কার্টিস ক্যাম্ফারের বলে আউট হবার আগে ৪টি চার ও ২টি ছক্কায় ২৮ বলে ৪০ রান করেন মিঠুন।

১২তম ওভারে দলীয় ৯৫ রানে দ্বিতীয় উইকেট পতনের পর আগ্রাসী হয়ে ওঠেন তিন নম্বরে নামা জাকির হাসান। ক্যাম্ফারের করা ১৪তম ওভারে ৩টি চারে ১৭ রান তুলেন জাকির। ১৭তম ওভারে টি-টোয়েন্টিতে ষষ্ঠ অর্ধশতক পূর্ণ করতে ৩১ বল খেলেন জাকির।

হাফ-সেঞ্চুরির পর আয়ারল্যান্ডের হ্যারি টেক্টরের সাথে শেষ ৪ ওভারে ৪৩ রান যোগ করেন জাকির। এতে ২০ ওভারে ২ উইকেটে ১৭৭ রানের সংগ্রহ পায় সিলেট। তৃতীয় উইকেটে জাকির-টেক্টর ৪৯ বলে অবিচ্ছিন্ন ৮২ রান যোগ করেন।

টি-টোয়েন্টিতে ক্যারিয়ার সেরা ইনিংসে ৭টি চার ও ১টি ছক্কায় ৪৩ বলে ৭০ রানে অপরাজিত থাকেন জাকির। ২০ বলে অপরাজিত ২৬ রান করেন টেক্টর। ১টি করে উইকেট নেন চট্টগ্রামের নিহাদ ও ক্যাম্ফার।

১৭৮ রানের টার্গেটে তৃতীয় ওভারে জিম্বাবুয়ের পেসার রিচার্ড এনগারাভার বলে ২ রান করে সাজঘরে ফিরেন তানজিদ হাসান।

সতীর্থকে হারালেও আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লেতে চট্টগ্রামকে ৫৬ রান এনে দেন আরেক ওপেনার শ্রীলংকার আবিস্কা ফার্নান্দো। সপ্তম ওভারে আবিস্কাকে বোল্ড করে সিলেটকে ব্রেক-থ্রু এনে দেন স্পিনার নাজমুল ইসলাম। ২৩ বলে ৭টি চার ও ১টি ছক্কায় ৩৯ রান করে আউট হন আবিস্কা।

অষ্টম ওভারে প্রথমবারের মত আক্রমনে এসে প্রথম বলেই উইকেট তুলে নেন সিলেটের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। ১১ রান করা ইমরানউজ্জামান শিকার হন ম্যাশের।
১৩তম ওভারে তানজিম হাসানের হাতে ব্যক্তিগত ১৮ রানে জীবন পান চট্টগ্রামের আফগানিস্তানী ব্যাটার নাজিবুল্লাহ জাদরান।

জীবন পেয়ে শাহাদাত হোসেনকে নিয়ে চট্টগ্রামের জয়ের পথ পরিস্কার করেন নাজিবুল্লাহ। ১৭তম ওভারে টি-টোয়েন্টিতে প্রথম হাফ-সেঞ্চুরির দেখা পান ৩৫ বল খেলা শাহাদাত।
জয়ের জন্য শেষ ৩ ওভারে ২৯ রানের সমীকরন  দাড় করায়  চট্টগ্রাম। তানজিমের করা ১৮তম ওভারে ১৫ রান নেন শাহাদাত-নাজিবুল্লাহ। ১৯তম ওভারে মাশরাফির প্রথম তিন বলে ১৬ রান তুলে চট্টগ্রামের জয় নিশ্চিত করেন দু’জনে। ৬৮ বলে অবিচ্ছিন্ন ১২১ রানের জুটি গড়েন তারা।

৪টি করে চার-ছক্কায় শাহাদাত ৩৯ বলে অপরাজিত ৫৭ এবং ৩টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৩০ বলে অনবদ্য ৬১ রান করে ম্যাচ সেরা  নির্বাচিত হন  নাজিবুল্লাহ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর :
সিলেট স্ট্রাইকার্স : ১৭৭/২, ২০ ওভার (জাকির ৭০*, মিঠুন ৪০, নিহাদুজ্জামান ১/৩১)।
চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স : ১৮০/৩, ১৮.৩ ওভার (নাজিবুল্লাহ ৬১*, শাহাদাত ৫৭*, এনগারাভা ১/১৭)।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।