• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

সমর্থকদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জে তেড়ে যান মার্তিনেজ

Reporter Name / ১৯১ Time View
Update : বুধবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৩

মারাকানার গ্যালারিতে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের ওপর লাঠিচার্জ শুরু করে পুলিশ। ব্রাজিলিয়িন পুলিশকে রুখতে সতীর্থদের নিয়ে ছুটে গিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। কিন্তু পুরো আর্জেন্টিনা দলের মধ্যে আলাদা ছিলেন গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। পুলিশকে রুখতে তাদের লাঠি টেনে ধরেন তিনি।

ঘটনার সূত্রপাত দুই দলের জাতীয় সংগীতের সময়। অবিশ্বাস্য এক দৃশ্যের অবতারণা হয় ঐতিহাসিক মারাকানায়। ম্যাচ শুরুর আগ মুহূর্তে গ্যালারিতে দাঙ্গায় জড়িয়ে পড়েন দুই দলের সমর্থকেরা।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, মারাকানায় গ্যালারির এক অংশে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের পিটিয়েছে ব্রাজিলিয়ান পুলিশ।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, জাতীয় সংগীতের সময় গ্যালারিতে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকেরা মারামারি শুরু করে। এতে নির্ধারিত সময়ের প্রায় আধা ঘণ্টা পর খেলা শুরু হয়।

আর্জেন্টিনার গণমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস জানিয়েছে, জাতীয় সংগীতের সময় ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের উদ্দেশে দুয়ো দেয় আর্জেন্টিনার সমর্থকেরা। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের ওপর আসন ছুড়ে মারতে থাকে ব্রাজিলের সমর্থকেরা। একপর্যায়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাঠিপেটা শুরু করে ব্রাজিলের পুলিশ। 

কারণটা যাই হোক, আর্জেন্টাইন সমর্থকদের ওপর পুলিশের লাঠিপেটা ভালোভাবে নেননি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। শক্তমুখে সতীর্থদের নিয়ে পুলিশকে রুখতে গ্যালারিতে যান তিনি।

সে সব ছবি ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এরমধ্যে একটি ছবি নজর আসে সবার। সেই ছবিতে দেখা যায়, পুলিশ যখন আর্জেন্টাইন সমর্থকদের ওপর লাঠিপেটা করছে তখন মেজাজ সামলাতে না পেরে পুলিশের ওপর তেড়ে গিয়েছিলেন আর্জেন্টিনা দলের গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।

এরপরও থামানো যায়নি ব্রাজিলিয়ান পুলিশকে। পুলিশের হামলায় আহত হন বেশকয়েক জন। শক্তমুখে একপর্যায়ে সতীর্থদের নিয়ে মাঠ থেকে বেরিয়ে যান আর্জেন্টিনার অধিনায়ক মেসি। ম্যাচ শেষে আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টসে নিজের ক্ষোভ ঝাড়েন তিনি।

আর্জেন্টাইন তারকা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি শান্ত করতে এবং পুলিশকে থামানো চেষ্টা করেন তারা। কিন্তু তাতে কাজ হয়নি। এরপর মেসি বলেছেন, ‘আমরা দেখেছি কীভাবে পুলিশ মানুষগুলোকে মারছিল। খারাপ কিছু হয়ে যেতেই পারত। যখন সবকিছু একটু শান্ত হয়ে আসছিল তখন আমরা স্বজনদের খোঁজ নিয়েছি। সবকিছু সম্পর্কেই খোঁজ নিই। এরপর মাঠে ফিরি।’

মাঠে ফিরে আসল কাজটাই করেছে আর্জেন্টিনা। নিকোলাস ওতামেন্দির গোলে জয় দিয়ে বছর শেষ করেছে আর্জেন্টিনা। ২০২৬ বিশ্বকাপের লাতিন আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইয়ে ছয় ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান মজবুত করল তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।