• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

যুক্তরাষ্ট্রের যে হেলিকপ্টার দাপট দেখাচ্ছে বিশ্বে

Reporter Name / ১৫০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৩

সবচেয়ে সমৃদ্ধ সামরিক শক্তি নিয়ে সারা বিশ্বে দাপট দেখিয়ে বেড়ায় যুক্তরাষ্ট্র। শক্তিশালী সামরিক জোট ন্যাটোর প্রশিক্ষণ থেকে শুরু করে মহড়া, সবকিছুতেই একচ্ছত্র আধিপত্য দেশটির সেনাবাহিনীর। অত্যাধুনিক সব যুদ্ধবিমান এমনকি সামরিক হেলিকপ্টার থেকে শুরু করে সবকিছুতেই বস মানা হয় তাদের। বিশেষ করে অত্যাধুনিক সুবিধাযুক্ত বিভিন্ন মডেলের হেলিকপ্টার রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সমরাস্ত্রের বহরে। এর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ধরা হয় বোয়িং সিএইচ-৪৭ চিনুক হেলিকপ্টারকে।

কোন কাজে ব্যবহার বোয়িং সিএইচ-৪৭ চিনুক হেলিকপ্টার

এ ধরনের হেলিকপ্টার মূলত যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। দৈত্যাকার এই আকাশ যান দিয়ে সৈন্য পরিবহন, আর্টিলারি স্থানান্তরসহ যুদ্ধক্ষেত্রে রসদ সরবরাহ করা হয়। এমনকি যুদ্ধক্ষেত্রে কোনো সেনা গুরুতর আহত হলে দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হয় এটি। যার ভেতরেই প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। শক্তিশালী এই হেলিকপ্টার দিয়ে সহজেই গাড়িও সরিয়ে নেওয়া সম্ভব। আকারে বিশাল হলেও দুর্গম পাহাড়েও এটি খুব সহজে পরিচালনা করা যায়। বিভিন্ন দেশে মহড়ার সময় এই ধরনের হেলিকপ্টার দিয়ে সেনারা মাঝ আকাশে ড্রাইভও দিয়ে থাকেন। মালামাল পরিবহনের জন্য এর তেলের ট্যাংকারের পাশে প্রশস্ত জায়গা রয়েছে। এ ছাড়া তিনটি অতিরিক্ত কার্গো হুক সুবিধাও রয়েছে হেলিকপ্টারে।

বোয়িং সিএইচ-৪৭ চিনুক হেলিকপ্টারের বৈশিষ্ট্য

 

দুই ইঞ্জিন ও ট্যানডেম পাখা বিশিষ্ট এই যানের বেশকিছু বৈশিষ্ট্য হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম অটোমেটিক জিপিআরএস সিস্টেম। সহজেই পরিচালনার জন্য ককপিটে অন্তত ২ জন পাইলট বসার ব্যবস্থা রয়েছে। এর ধারণক্ষমতা তিন ক্রুসহ অন্তত ৩৬ জন।

ভারী এই হেলিকপ্টারটির সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৩১৫ কিলোমিটার। ১৯৬০-এর দশকে নকশা করা এর গতিবেগ তৎকালীন আক্রমণাত্মক হেলিকপ্টারের চেয়েও বেশি ছিল।

আন্তর্জাতিক বিমান নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের দাবি, এই মডেলের হেলিকপ্টার এখন পর্যন্ত তৈরি করা হয়েছে মাত্র ১ হাজার ১৭৯টি। বর্তমানে বোয়িং ডিফেন্স, স্পেস অ্যান্ড সিকিউরিটি এই হেলিকপ্টার উৎপাদন করছে। যার প্রতিটি উৎপাদনে খরচ হচ্ছে গড়ে সাড়ে ৩ কোটি মার্কিন ডলার করে।

 

প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এখন পর্যন্ত ১৬টি দেশে এই হেলিকপ্টার সরবরাহ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ও ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ার ফোর্সসহ হচ্ছে এই হেলিকপ্টারের সর্বোচ্চ ব্যবহারকারী।

বিশেষ করে যেসব দেশে মার্কিন সেনা ঘাঁটি রয়েছে সেখানে এর ব্যবহার বেশি। আফগানিস্তানেও এই ক্ষ্যাপাটে এবং শক্তিশালী হেলিকপ্টারের ব্যবহার দেখেছে বিশ্ব।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।