• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

সড়ক অবরোধ মৌলভীবাজারে

Reporter Name / ১৮৪ Time View
Update : বুধবার, ১ নভেম্বর, ২০২৩

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে হরতাল সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করে মৌলভীবাজার জেলা যুবদল। বুধবার (১ নভেম্বর) সকালে গিয়াসনগর বাজার এলাকায় সড়ক অবরোধ করা হয়।

সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য দিলু আহমদ জিলুকে পুলিশি হেফাজতে হত্যা ও সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের সভাপতি আবুল মনসুর শওকতসহ সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জায়গায় নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে সিলেট বিভাগে সকাল সন্ধ্যা হরতাল আহ্বান করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল।

বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী পথসভায় যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সিলেট বিভাগীয় সহসভাপতি ও মৌলভীবাজার জেলা শাখার সভাপতি জাকির হোসেন উজ্জ্বলের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি ফয়জুল করিম ময়ুন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও সদর উপজেলা শাখার সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন মাতুক, সহসভাপতি আশিক মোশাররফ, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফখরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বকসি মিসবাহুর রহমান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জি এম এ মুক্তাদির রাজু, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মারুফ আহমদ, জেলা বিএনপির সহসাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম রিপন, তোফায়েল আহমদ তুয়েল, জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম পিরুন, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আকিদুর রহমান সোহান, জেলা যুবদলের সহসাংগঠনিক সম্পাদক সামাদুজ্জামান, শাহান পারভেজ শিপন, সদর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আমির মোহাম্মদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মামনুন চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক শাফিয়ুল আহমেদ জুসেফ, পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শিবলু আহমদ, জেলা যুবদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবলু, পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইহাম মোজাহিদ প্রমুখ।

বিক্ষোভ মিছিল শেষে জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি সাবেক পৌর মেয়র ফয়জুল করিম ময়ুন বলেন, যুবদল নেতা জিলুকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। শুধু যুবদল নেতা জিলু নয়, সব হত্যাকাণ্ডের বিচার একদিন বাংলার মাটিতেই হবে। আওয়ামী লীগ গণবিচ্ছিন্ন। এদের পায়ের তলায় মাটি নেই।

তিনি বলেন, সেই দিন বেশি দুরে নয়। আমরা বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে। কোনো ফ্যাসিষ্ট সরকারই ক্ষমতায় থাকতে পারেনি। তারাও পারবে না। গাড়িতে আগুন দিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের দমাতে চাচ্ছে।

কেন্দ্রীয় যুবদলের সহসভাপতি জাকির হোসেন উজ্জ্বল বলেন, যুবদল নেতা জিলুকে হত্যার মাধ্যমে চলমান আন্দোলন দমাতে চায়। আদর্শ ও ন্যায়ের সংগ্রাম কখনো পরাজিত হয় না। তারা বিরোধী নেতাকর্মীদের জেলে রেখে আরেকটি প্রহসনের নির্বাচন করতে চায়। সে আশা গুড়ে বালি হবে। এদের পতন অত্যাসন্ন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।