• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি ২২ বছর পর রাজশাহীতে যাচ্ছেন তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা

দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে চান, এই ৬ খাবার খান

Reporter Name / ১৭৪ Time View
Update : বুধবার, ১৯ জুলাই, ২০২৩

বতর্মানে অনেকে দুর্বল দৃষ্টিশক্তির সমস্যায় ভুগছেন। দিন দিন তা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এজন্য পুষ্টিহীনতাকে মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। সাধারণত, অতিরিক্ত পরিশ্রম ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের কারণে শরীরে পুষ্টির অভাব দেখা দিচ্ছে।

এতে শরীরের কার্যক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে। পাশাপাশি চোখের দৃষ্টিশক্তি কমে যাচ্ছে। তবে ‍ছয়টি খাবার গ্রহণের মাধ্যমে দৃষ্টি ক্তি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা যায়। ভারতীয় শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনের আলোকে সেসব তুলে ধরা হলো-

১. গাজর

গাজরে প্রচুর পরিমাণে বিটা-ক্যারোটিন থাকে। শরীরে যা ভিটামিন এ’তে রূপান্তরিত হয়। দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধির তা জন্য অপরিহার্য। চোখের উপরিভাগকে বিভিন্ন রোগজীবাণু থেকে রক্ষা করে এটি।

২. পালংশাক

পালংশাক একটি সবুজ শাক। যার মধ্যে রয়েছে লুটেইন ও জিক্সানথিন। দুটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা রেটিনায় জমা হয়। বয়স-সম্পর্কিত ম্যাকুলার ডিজেনারেশন (এএমডি) এবং ছানি পড়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে এটি।

৩. মাছ

স্যামন, টুনা ও ম্যাকেরেলের মতো মাছে ওমেগা -৩ ফ্যাটি অ্যাসিড বেশি থাকে। এটি স্বাস্থ্যকর চর্বি, যা চোখের জন্য দারুণ উপকারী। চোখের শুষ্কতা প্রতিরোধ করতেও তা সাহায্য করে।

৪. ডিম

ডিম হলো লুটেইন, জিক্সানথিন, ভিটামিন ই এবং জিঙ্কের ভালো উৎস। চোখের সুস্থতা বজায় রাখার জন্য যা প্রয়োজনীয়।

৫. সাইট্রাস ফলমূল

কমলালেবু, লেবু ও জাম্বুরা হলো ভিটামিন সি’র চমৎকার উৎস। এটি একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা চোখে ছানি হওয়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া বয়সজনিত কারণে দৃষ্টিশক্তি হ্রাসের সম্ভাবনা কমাতে সাহায্য করে।

৬. বাদাম ও বীজ

বাদাম ও বীজ হচ্ছে ওমেগা -৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন ই এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। এ পুষ্টিগুলো বয়স-সম্পর্কিত ক্ষতি থেকে চোখকে রক্ষা করে। সামগ্রিক চোখের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।