• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

ঢাকার কর্মসূচিতে শক্তি বাড়াতে জোর বিএনপির

Reporter Name / ১৩৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৩ মে, ২০২৩

১০ দফা দাবিতে বিএনপি নতুন করে ধারাবাহিক কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নেমেছে। সমাবেশ, মানববন্ধন, পদযাত্রার মতো কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দলটি সরকার পতনের এক দফার আন্দোলনে যেতে চায়। বিএনপির নেতারা মনে করছেন, ধারাবাহিক কর্মসূচির মধ্যেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে, যার মধ্য দিয়ে সরকারবিরোধী আন্দোলন একলাফে নতুন পর্যায়ে নেওয়া সম্ভব হবে।

বিএনপি সূত্র বলছে, তারা আন্দোলনে রাজধানী ঢাকার নেতা-কর্মীদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে বেশি জোর দিচ্ছে। তারা সরকারবিরোধী আন্দোলনে পর্যায়ক্রমে শক্তি বাড়াবে। একই সঙ্গে বিরোধী অন্যান্য দল ও জোটকেও সঙ্গে রাখতে চায় বিএনপি। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরফাইল ছবি

এরই অংশ হিসেবে আজ মঙ্গলবার ঢাকার দুই অংশে দুটি আলাদা পদযাত্রা করবে বিএনপি। একই দিন আলাদাভাবে ঢাকার আরেক অংশে একই কর্মসূচি পালন করবে গণতন্ত্র মঞ্চ। এর মধ্যে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি বেলা আড়াইটায় গাবতলী বিউটি সিনেমা হলসংলগ্ন এস এ খালেক বাস কাউন্টারের সামনে থেকে পদযাত্রা শুরু করবে। একই সময়ে দলটির মহানগর দক্ষিণ শাখা পদযাত্রা শুরু করবে ধানমন্ডির বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন মোড় থেকে। আর গণতন্ত্র মঞ্চ পদযাত্রা কর্মসূচি শুরু করবে বেলা ১১টায়, জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে। এসব কর্মসূচিতে বিএনপি ও গণতন্ত্র মঞ্চের কেন্দ্রীয় নেতারা অংশ নেবেন।

বিএনপির অন্যান্য কর্মসূচির মতো আজকের কর্মসূচির দিনেও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কর্মসূচি রয়েছে। আজ বিকেলে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে সমাবেশ করবে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ। এতে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের প্রধান অতিথি থাকবেন। এরই মধ্যে ‘প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকির’ প্রতিবাদে গতকাল দেশব্যাপী প্রতিবাদ, বিক্ষোভের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী ও সমমনা সংগঠনগুলো সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শন করেছে। আমাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। শান্তিপূর্ণভাবেই আমরা কর্মসূচি পালনের চেষ্টা করব বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপি এই পর্বে ১৭ মে থেকে সারা দেশে ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করছে। ১০টি সাংগঠনিক বিভাগের মহানগর এবং ৮১টি সাংগঠনিক জেলায় জনসমাবেশের পাশাপাশি ঢাকায় চারটি পদযাত্রা ও চারটি জনসমাবেশ কর্মসূচি দেয় দলটি। এসব কর্মসূচি চলবে ২৮ মে পর্যন্ত। কর্মসূচি সফল করতে দলের মহাসচিব, স্থায়ী কমিটির সদস্য, ভাইস চেয়ারম্যান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও যুগ্ম মহাসচিবদের মাঝে ইতিমধ্যে দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। শান্তিপূর্ণভাবেই আমরা কর্মসূচি পালনের চেষ্টা করব। ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি বেলা আড়াইটায় গাবতলী বিউটি সিনেমা হলসংলগ্ন এস এ খালেক বাস কাউন্টারের সামনে থেকে পদযাত্রা শুরু করবে। একই সময়ে দলটির মহানগর দক্ষিণ শাখা পদযাত্রা শুরু করবে ধানমন্ডির বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন মোড় থেকে।

বিএনপির উচ্চপর্যায়ের সূত্রগুলো বলছে, আন্দোলনের এই পথ ধরে সরকার পতনের এক দফার আন্দোলনে যেতে চাইছে দলটি। এই মুহূর্তে বিএনপির নীতিনির্ধারকদের লক্ষ্য ধারাবাহিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে কেন্দ্র থেকে মাঠের কর্মী-সমর্থক পর্যন্ত আন্দোলনের একটি ঢেউ তৈরি করা। বিশেষ করে, গত নভেম্বর-ডিসেম্বরে সারা দেশে বিভাগীয় সমাবেশগুলোকে কেন্দ্র করে নেতা-কর্মীদের মধ্যে যে রকম মরিয়া মনোভাব দেখা গেছে, আবার সে রকম আন্দোলনমুখী পরিবেশ সৃষ্টি করতে চান বিএনপির নীতিনির্ধারকেরা। তাঁরা মনে করছেন, গত ১০ ডিসেম্বর ঢাকার সমাবেশ ঘিরে যে রকম রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি হয়েছিল, কোনো একটা প্রেক্ষাপটে যেকোনো সময় সে রকম একটা পরিস্থিতি তৈরি হয়ে যাবে। আর তখনই কর্মীদের সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে নামানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে দলটি।

বিএনপির নেতারা বলছেন, এই পর্বের আন্দোলনে তাঁরা রাজধানী ঢাকাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। চূড়ান্ত আন্দোলনে সবাইকে সর্বশক্তি নিয়ে নামাতে সাংগঠনিক নানা প্রস্তুতিও চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।