• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

নয়াপল্টনেই হবে বিএনপির সমাবেশ: রিজভী

Reporter Name / ১৪৮ Time View
Update : সোমবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২২

আগামী ১০ ডিসেম্বর নয়াপল্টনেই বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ হবে বলে জানিয়েছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।
ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ সফলের লক্ষ্যে বিএনপির প্রচার উপকমিটির উদ্যোগে এ মতবিনিময়সভা হয়। সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ সফলের লক্ষ্যে গঠিত কমিটির সমন্বয়ক ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, গণসমাবেশ সফলের লক্ষ্যে গঠিত প্রচার উপকমিটির আহ্বায়ক মীর সরফত আলী সপু, সদস্য সচিব প্রকৌশলী আশরাফ উদ্দিন বকুল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রচার উপকমিটির নেতা আ ক ম মোজাম্মেল হক, ওমর ফারুক সাফিন, আকরামুল হাসান, ফেরদৌস আহমেদ খোকন, তাঁতী দলের আবুল কালাম আজাদ, মজিবুর রহমান প্রমুখ।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, আমাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। বাধাবিপত্তি দিলেও কর্মসূচি থাকবে। আমাদের সমাবেশ ঘিরে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। পরিবহণ ধর্মঘট ডাকে। যেই বিএনপির সমাবেশ শেষ, তাদের ধর্মঘটও শেষ।
তিনি বলেন, দেশের গণমাধ্যম নানাভাবেই চাপে পড়ে। আমাদের সমাবেশ নিয়ে গণমাধ্যমে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন হবে বলেই আমাদের প্রত্যাশা। সরকার বিএনপির সমাবেশের অনুমতি নিয়ে তাণ্ডব চালাচ্ছে। কখনো অনুমতি দেয়, কখনো দেয় না। অনেক সময় অনুমতি দিলেও শারীরিক আক্রমণ করছে। ২২ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত আটজন নেতা মারা গেছেন। সর্বশেষ আমাদের সাবেক এমপি শাজাহান খান মারা গেছেন। শেখ হাসিনার আক্রমণ থেকে জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে কেউ বাদ যায়নি।

অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ বলেন, আমাদের দাবিদাওয়া মেনে নিলে তো সমাবেশ করা লাগবে না। তারা আমাদের দাবিসমূহ মানলেই হলো। আমরা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করতে চাই। তবে যেখানেই বাধা আসবে, সেখানে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।

তিনি বলেন, ঢাকায় পাঁচ দিন-সাত দিন আগে সমাবেশ শুরু হবে বলে রিউমার ছড়াচ্ছে। এটি ঠিক নয়। আমাদের সমাবেশ হবে ১০ ডিসেম্বর, একদিন। এখন যদি পরিবহণ ধর্মঘট দেওয়া হয়, তা হলে তো বাধ্য হয়েই নেতাকর্মীরা আগে হবে। এটিই বাস্তবতা। আশা করি সরকারের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে।

তিনি বলেন, নয়াপল্টনেই আমরা দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৫টার মধ্যে সমাবেশ শেষ করব। কারণ সব দিক বিবেচনায় নয়া পল্টন অপেক্ষাকৃত নিরাপদ। সরকার বাধা দিলে বুঝতে হবে তাদের দূরভিসন্ধি রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।