• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

জিম্বাবুয়েতে হারলেও হতাশ হবেন না খালেদ মাহমুদ

Reporter Name / ১৪৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই, ২০২২

জিম্বাবুয়ে সফরের জন্য ঘোষিত বাংলাদেশ টি ২০ ও ওয়ানডে দলের ক্রিকেটারদের জন্য সোমবার ঢাকার একটি হোটেলে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করে বিসিবি। সেখানে টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ বলেন, ‘জিম্বাবুয়েতে আমরা ৩-০তে হারলেও হতাশ হব না আমি।’ তিনি চান ক্রিকেটাররা যেন মুক্তমনে খেলেন। ড্রেসিংরুমের কথাবার্তা যাতে বাইরে না যায় সেজন্য দলের সবার কাছ থেকে দায়িত্বশীল আচরণ আশা করেন তিনি। এসময় বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান জালাল ইউনুস উপস্থিত ছিলেন। খালেদ মাহমুদ বলেন, ‘সাকিব-তামিমরা আইকন। টি ২০-তে এখনো আমরা কিছু করতে পারিনি। নতুনদের একটু দেখে নিতে চাই। সিনিয়রদের বিশ্রাম দেওয়ার দরকার। তরুণদেরও দেখা প্রয়োজন।’ তিনি যোগ করেন, ‘আমাদেরকে পেশাদারিত্বের পরিচয় দিতে হবে। ক্রিকেট একটা মনস্তাত্বিক খেলা। আমরা একটা পরিবারের মতো। আমাদের ঘরের খবর বাইরে যাওয়া উচিত নয়।’ তার সরস মন্তব্য, ‘আমি তো কাজের জায়গায় এসে বলি না যে, বাসায় বউয়ের সঙ্গে ঝগড়া করে এসেছি।’ তিনি বলেন, ‘আমরা চাই মাহমুদউল্লাহ চাপমুক্ত হয়ে খেলুক। অধিনায়ক পারফর্ম না করলে দলের ওপর চাপ আরও বাড়ে। এটাই একমাত্র ফরম্যাট যেখানে পরীক্ষার সুযোগ আছে। জিম্বাবুয়েতে সিরিজ হারলে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। শরীরী ভাষাটাই আসল।’ তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্রিকেটে দল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, ব্যক্তি নয়। উন্নতিই আসল। হঠাৎ প্লেয়ার তৈরি করা সম্ভব নয়। পুরো দলকে ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলতে হবে। সাহস ছাড়া কিছুই হয় না।’ মাহমুদ বলেন, ‘সিনিয়ররা থাকতে বাংলাদেশ যেন আরেকটি দল হয়ে ওঠে, সেই চেষ্টা রয়েছে আমাদের। বাদ পড়লে মন খারাপ হতেই পারে। দল একটা পরিবারের মতো, তাই এখানকার কথা বাইরে যাওয়া ঠিক নয়। ভুল আমরা সবাই করি। আজকের পর হয়তো আর ভুল হবে না। শুধু মাঠে নয়, মাঠের বাইরেও অনেক খেলা হয়। সেগুলো আমাদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।’ জিম্বাবুয়ে সফরে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি ২০ ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।