• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

গোল্ডেন বুট পাচ্ছেন লেভানডোভস্কি

Reporter Name / ১৪১ Time View
Update : সোমবার, ৯ মে, ২০২২
Bayern Munich's Polish striker Robert Lewandowski during the German first division Bundesliga football match Bayern Munich v Schalke 04 in Munich on January 25, 2020. (Photo by Christof STACHE / AFP) / DFL REGULATIONS PROHIBIT ANY USE OF PHOTOGRAPHS AS IMAGE SEQUENCES AND/OR QUASI-VIDEO

গত এক যুগের বেশি সময় ধরে ইউরোপিয়ান ফুটবলের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার ব্যক্তিগত সম্পত্তি বানিয়ে ফেলেছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও লিওনাল মেসি। তবে গত মৌসুমে এ পুরস্কারটা জেতেন বায়ার্নের পোলিশ স্ট্রাইকার রবার্ট লেভানডোভস্কি। চলতি মৌসুমেই সেই ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন ৩৩ বছর বয়সী এই পোলিশ তারকা।

২০২১-২২ মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার যে রবার্ট লেভানডোভস্কি নিজের করে নিতে যাচ্ছেন তা এক প্রকার নিশ্চিত করেই বলা যায়। ৩৩ বছর বয়সেও দুরন্ত গতিতে ছুটে চলেছেন লেভানডোভস্কি। এখন পর্যন্ত চলতি মৌসুমে করেছেন ৩৪ গোল। অবশ্য গত মৌসুমে ৪১ গোল করে ইউরোপিয়ান গোল্ডেন বুট জিতেছিলেন তিনি।

দ্বিতীয় স্থানে আছেন ইতালিয়ান সিরি-আ’র ল্যাৎজিও’র স্ট্রাইকার চিরো ইম্মোবিলে। ল্যাৎজিও’র এই ফুটবলারের পা থেকে এসেছে মোট ২৭ গোল। সিরি-আ’তে আরও দুই ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবেন তিনি। ওই দুই ম্যাচে ইম্মোবিল অবিশ্বাস্য কোনো পারফর্ম না করলে রবার্ট লেভানডস্কির হাতেই উঠবে ইউরোপিয়ান গোল্ডেন বুট।

এদিকে তৃতীয় স্থানে আছেন এই মৌসুমে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা রিয়ালের ফরাসি তারকা করিম বেনজেমা। ২৬ গোল নিয়ে ইম্মোবিলের ঘাড়েই নিশ্বাস ফেলছেন বেনজেমা। আর ২৪ গোল নিয়ে চার এবং পাঁচ নম্বরে অবস্থান করছেন যথাক্রমে বুন্দেসলিগার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা প্যাট্রিক শিক এবং লিগ ওয়ানের সর্বোচ্চ গোলদাতা কিলিয়ান এমবাপ্পে।

মৌসুমের শেষ দিকে এসে লেভানডোভস্কিকে হারান কারো পক্ষেই সম্ভব না। তাই নিশ্চিতভাবেই বলা যায়, টানা দুই মৌসুমে গোল্ডেন বুটের পুরস্কারটা উঠতে যাচ্ছে তার হাতেই।

২০০৭-০৮ মৌসুমে ৩১ গোল করে প্রথমবারের মতো ইউরোপিয়ান ফুটবলের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার নিজের করে নেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। পরের মৌসুমে এই পুরস্কার জেতেন উরুগুইয়ান তারকা ডিয়েগো ফোরলান। এরপরে শুধু মেসি-রোনালদো দ্বৈরথ। মাঝে ২০১৫-১৬ মৌসুমে এই পুরস্কার জেতেন লুইস সুয়ারেজ। অবশ্য পরের মৌসুম থেকে আবারও লড়াইয়ে নাম লেখায় মেসি ও রোনালদো।
শেষ পর্যন্ত ২০১৯-২০ মৌসুমে চিরো ইম্মোবিলের কাছে হারানো সেই পুরস্কারটা আর নিজেদের করে নিতে পারেননি রোনালদো কিংবা মেসির কেউই।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।