• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

নভেম্বরে বাংলাদেশ সফরে আসছে ভারত

Reporter Name / ১৪২ Time View
Update : সোমবার, ৭ মার্চ, ২০২২

ঘরের মাঠে আফগানিস্তান সিরিজের পর জাতীয় দলের ব্যস্ততা এবার দক্ষিণ আফ্রিকা সফর নিয়ে। দিন কয়েক পরেই প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ওয়ানডে ও টেস্ট খেলতে উড়াল দেবে তামিম-মাহমুদউল্লাহরা।

এদিকে, ব্যস্ত সূচিতে ঠাসা চলতি বছরে রয়েছে অনেকগুলো ম্যাচ। দক্ষিণ আফ্রিকার পর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও দ্বিপাক্ষিক সিরিজ রয়েছে বাংলাদেশের। এদিকে, অক্টোবরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে অস্ট্রেলিয়া যাবে টিম টাইগার্স। জানা গেছে, বিশ্বকাপের পরপরই নভেম্বরে বাংলাদেশ সফরে আসবে ভারতীয় ক্রিকেট দল।

বিসিবি পরিচালক ও ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুসও সোমবার (৬ মার্চ) হাইভোল্টেজ ওই সিরিজটি নিয়ে কথা বললেন। গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, বিষয়টা এখনো শতভাগ নিশ্চিত নয়। এটা আমাদের প্রস্তাব। এখন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড রাজি হলেই দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের সঙ্গে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজও অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে, সিরিজের সম্ভাব্য সময়কাল নভেম্বর হলেও এখনো দিন-তারিখ ঠিক হয়নি। টেস্ট আগে না ওয়ানডে আগে এবং কোথায় কোন খেলা অনুষ্ঠিত হবে তাও এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে বিসিবির প্রস্তাবে বিসিসিআই ওয়ানডে সিরিজ খেলতে রাজি হলেই সময়সূচি এবং ভেন্যু চূড়ান্ত করা হবে বলে জানা গেছে।  এদিকে, আইসিসির টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দুই ম্যাচ খেলতে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের। তবে টেস্টের পাশাপাশি যোগ হয়েছে ওয়ানডে ম্যাচও। তিন ম্যাচের এই ওয়ানডে সিরিজ আইসিসি ওয়ানডে সুপার লিগের অংশ। ১৮ মার্চ মাঠে গড়াবে প্রথম ওয়ানডে। সিরিজের বাকি দুই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ২০ ও ২৩ মার্চ। ওয়ানডে সিরিজ শেষে শুরু হবে সাদা পোশাকের লড়াই। প্রথম টেস্ট মাঠে গড়াবে ৩০ মার্চ। এরপর দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট শুরু হবে ৭ এপ্রিল। 


ওয়ানডে স্কোয়াড
তামিম ইকবাল খান (অধিনায়ক), লিটন কুমার দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, আফিফ হোসেন ধ্রুব, মেহেদী হাসান মিরাজ, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, এবাদত হোসেন চৌধুরী, নাসুম আহমেদ, ইয়াসির আলি চৌধুরী, মাহমুদুল হাসান জয় ও সৈয়দ খালেদ আহমেদ।

টেস্ট স্কোয়াড
মুমিনুল হক (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল খান, মাহমুদুল হাসান জয়, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান, লিটন কুমার দাস, ইয়াসির আলী চৌধুরী, তাইজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাসকিন আহমেদ, আবু জায়েদ চৌধুরী, এবাদত হোসেন, শরিফুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, শাদমান ইসলাম ও কাজী নুরুল হাসান সোহান।
 


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।