• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

বিপিএল ফাইনালে বরিশালকে হারিয়ে কুমিল্লার শিরোপা জয়

Reporter Name / ১৪৫ Time View
Update : শুক্রবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২২

ভাবেও ম্যাচ হারা যায়! ৪৩ বলে প্রয়োজন মাত্র ৪৫ রান, হাতে ৮ উইকেট। ক্রিজে সেট দুই ব্যাটসম্যান ক্রিস গেইল আর নুরুল হাসান সোহান। অথচ এই ম্যাচও কি-না হেরে বসলো তারকা দিয়ে ঠাসা ফরচুন বরিশাল। ম্যাচের সঙ্গে শিরোপাও হারালো সাকিব আল হাসানের দল। ব্যাটিংবান্ধব উইকেটে মাত্র ১৫১ রানের পুঁজি। এরপর আবার ব্যাট হাতে সৈকত আলির তাণ্ডব। তবুও বরিশালকে ১৫০ রানে থামিয়ে ১ রানে জয় তুলে নিয়েছে কুমিল্লা।

এ ম্যাচ জয়ের ফলে বিপিএলের আট আসরে তৃতীয়বার শিরোপার স্বাদ পেল কুমিল্লা। ম্যাচের শেষ অংশটুকু বাদ দিলে পুরো ম্যাচই প্রভাব বিস্তার করে খেলেছে বরিশাল। তবে ওই যে প্রচলিত কথায় যে আছে, শেষ ভালো যার, সব ভালো তার। শেষটাই তো ভালো করতে পারলো না ফরচুন বরিশাল। শেষ ১৮ বলে ১৮, শেষ ওভারে ১০ এবং শেষ বলে ৩ রানও যে করতে পারলো না তারা। দিন শেষে শিরোপার হাসি ইমরুল কায়েসের, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের।

অথচ ব্যাটিং সহায়ক উইকেটেও মাত্র ১৫১ রানে থামে কুমিল্লা। ১৫২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট কর‍তে নেমে নিজেদের শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি বরিশালের। ইনফর্ম মুনিম শাহরিয়ার আজ ৭ বল খেলে ফিরেছেন রানের খাতা খোলার আগেই। এরপর ব্যাট হাতে অগ্নিমূর্তি ধারণ করেন সৈকত। ব্যাটিং দানবের খেতাব কুড়ানো ক্রিস গেইলকে একপাশে দর্শক বানিয়ে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন তিনি।

পাওয়ার প্লেতে আর কোনো উইকেট না হারিয়ে স্কোর বোর্ডে ৫১ রান তোলে বরিশাল। খানিক পর টুর্নামেন্টের নিজের প্রথম ফিফটির দেখা পান সৈকত। মাত্র ২৬ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন তিনি। যদিও ইনিংসটাকে পরে আর টানতে পারেননি। বাঁহাতি স্পিনার তানভীরের বলে ইমরুলে কায়েসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাজ ঘরে। যাওয়ার আগে ১১টি চার ও ১টি ছয়ের মারে ৩৪ বলে খেলেন ৫৮ রানের ইনিংস। তখন বরিশালের স্কোর্ডবোর্ডে ৭৯ রান।

সৈকত ফেরার পর দলের হাল ধরেন গেইল। দলের চাহিদা অনুযায়ী ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাট করতে থাকেন তিনি। ইনিংসের ১৩তম ওভারে গেইলকে আউট করেন তারই জাতীয় দলের সতীর্থ নারাইন। লেগবিফোরের ফাঁদে পড়ে গেইল সাজঘরের পথ ধরেন ৩১ বলে ৩৩ রানে। যেখানে ১টি চারের সঙ্গে ছক্কা হাঁকান ২টি। অধিনায়ক সাকিব অবশ্য আজ সুবিধা করতে পারেননি, মুস্তাফিজ দারুণ এক ক্যাচ নিয়ে ফেরান সাকিবকে। ৭ বলে ৭ রান করেন সাকিব।

সাকিবের আউটের পর মোমেন্টাম ফিরে পায় কুমিল্লা। নুরুল হাসান সোহান রান আউটে কাটা পড়েন ১৪ রানে। সুবিধা করতে পারেন ব্রাভো আর নাজমুল হোসেন শান্ত। ব্রাভো ১ আর শান্ত আউট হন ১৫ বলে ১২ রানে। ৭ উইকেট হারানো বরিশালের শেষ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন পড়ে ১০ রান। শেষ বলে ৩ রান দরকার পড়লে দ্বিতীয় রান নিতে গিয়ে রান আউটে কাটা পড়েন মুজিব উর রহমান। ১ রানে রোমাঞ্চকর জয় শিরোপা ঘরে তোলে কুমিল্লা।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।