• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে অস্ট্রেলিয়া

Reporter Name / ১৫১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর, ২০২১

টানটান উত্তেজনার ম্যাচে পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়া। দুবাইয়ে শুরুতে ব্যাট করে রিজওয়ানের পর ফখরের ঝড়ে ১৭৬ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করায় পাকিস্তান। জবাবে ৫ উইকেট হারিয়ে ৬ বল বাকি থাকতেই জয়ের বন্দরে পৌঁছায় ক্যাঙ্গারুরা। রোববার অস্ট্রেলিয়ার প্রতিপক্ষ প্রথম সেমিফাইনালে জয় পাওয়া নিউজিল্যান্ড।

বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই অ্যারন ফিঞ্চকে হারায় অস্ট্রেলিয়া। শাহিন আফ্রিদির তৃতীয় বলে এলবিডব্লিউ হন অজি দলপতি। ১ বল খেলে খাতা খুলতে পারেননি তিনি। শুরুতে উইকেট পড়লেও দলকে চাপে পড়তে দেননি আরেক ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার। দ্বিতীয় উইকেটে মিচেল মার্শকে নিয়ে ৫১ রানের জুটি গড়েন তিনি। দলীয় ৫২ রানে বিপজ্জনক মিচেল মার্শকে আউট করেন শাদাব। স্লগ সুইপ করতে গিয়ে আসিফ আলীর ক্যাচ হয়ে ফেরার আগে ২২ বলে ২৮ রান করেন তিনি। পরের ওভারে স্টিভ স্মিথকে ফিরিয়ে দেন শাদাব খান। স্মিথ ৫ রান করে ফখরের হাতে ধরা পড়েন।

সতীর্থরা যখন যাওয়া আসার মিছিলে সামিল হয়েছে, তখন দলকে টেনে তুলছিলেন ওয়ার্নার। কিন্তু দলীয় ৮৯ রানে শাদাব খানের বলে রিজওয়ানের ক্যাচ হয়ে ফেরেন ওয়ার্নার। নিশ্চিত হাফ-সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেন তিনি। ৩ চার ও ৩ ছক্কার সাহায্যে ৩০ বলে ৪৯ রান করেন তিনি। এরপর ব্যক্তিগত ৭ রানে ফেরেন ম্যাক্সওয়েলও। প্রথম পাঁচ উইকেটের মধ্যে চারটিই নেন পাকিস্তানি স্পিনার শাদাব খান।

১২ বলে জয়ের জন্য দরকার ছিল ২২ রান। কাজটা নিমিষেই করে ফেলল অস্ট্রেলিয়া। ম্যাথু ওয়েড ১৯তম ওভারে শাহীন শাহ আফ্রিদিকে তিন ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচটা নিজেদের করে নেয়। পরপর তিন ছক্কা হাঁকানোর আগে ম্যাথু ওয়েডকে জীবন দিয়েছিলেন হাসান আলী। ক্যাচ মিসে ম্যাচটাই মিস করে ফেলল পাকিস্তান।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।