• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

বিসিবি’র তহবিলে ৯০০ কোটি টাকা আছে – পাপন

Reporter Name / ১৫১ Time View
Update : শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১

২০২৩ সাল নাগাদ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) উপার্জন বেড়ে ক্রিকেট পরাশক্তি অস্ট্রেলিয়ার সমপরিমাণ হবে বলে মন্তব্য করেছেন সংগঠনটির সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। শনিবার (০৪ সেপ্টেম্বর) ক্রিকেট বোর্ডের প্রয়াত পরিচালক আফজালুর রহমান সিনহার স্মরণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিসিবি বস এ কথা বলেন।

বিসিবি এখন বিশ্বের পঞ্চম ধনী ক্রিকেট বোর্ড। যার সিংহভাগই আসছে দেশি প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া স্পন্সর ও টিভি স্বত্ব থেকে। এর বাইরেও আইসিসি থেকে বেশ বড়সড় অর্থ উপার্জনের সুযোগ রয়েছে ক্রিকেট বোর্ডের। যার একটা অংশ বিসিবি পেলেও ২০২৩ সালে তা পাবে গ্রেড ওয়ান ক্যাটাগরিতে।

বিসিবির আর্থিক ব্যবস্থাপনা আগের চেয়ে অনেক স্বচ্ছ এবং গোছানো। তাই উপার্জন বেড়েছে ক্রিকেট বোর্ডের। এমন মন্তব্যও করেছেন পাপন। তিনি বলেন, বিদেশি কোচিং স্টাফসহ আনুষঙ্গিক কাজে প্রচুর খরচ হলেও, বোর্ডে টাকার অভাব নেই। বরং ২০২৩ সালে আইসিসি থেকে ইনকামের পরিমাণে অস্ট্রেলিয়ার সমকক্ষ হবে বাংলাদেশ।
 এ সম্পর্কে পাপন বলেন, ‘আমরা সব কিছু একটা কাঠামোর মধ্যে এনেছি। এখন আমাদের এফডিআর ৯০০ কোটি টাকার ওপরে। আইসিসি থেকে এখনও প্রত্যাশিত অর্থ পাচ্ছি না। তবে খুব শিগগিরই সে অবস্থার উন্নতি হবে। ২০২৩ সালে আমাদের ইনকাম হবে অস্ট্রেলিয়ার সমান।’ 
 
তিনি আরও বলেন, ‘সিরিজ চলাকালীন অনেক কিছু কেনা হতো। পরবর্তীতে তার আর কোন হদিস পাওয় যেত না। তার মানে যে দুর্নীতি হয়েছে তা বলবো না, তবে মিস ম্যানেজমেন্ট ছিল। আগে বিসিবির সঙ্গে বাইরের কোম্পানির হাজার কোটি টাকার চুক্তি হতো! কিন্তু কয় টাকা বোর্ড পেতো? সত্যি কথা বলতে সবই ছিলো লোক দেখানো। সেখান থেকে বিসিবি খুব একটা লাভবান হতো না।

সভাপতির বক্তব্যেই স্পষ্ট, কতটা অব্যবস্থাপনার মাঝে ছিলো ক্রিকেট বোর্ড! তাই বলে দুর্নীতির অভিযোগ আনা যাবে না। কিন্তু যেখানে প্রতি বছর শত কোটি টাকার লেনদেন, সেখানে সন্দেহের তীর বিদ্ধ হতেই পারে। এর সবই এখন অতীত। বিসিবি এখন দেশের ক্রীড়াঙ্গনে উন্নয়নের রোল মডেল।

ক্রিকেট বোর্ডের উপার্জনের সবচেয়ে বড় উৎস স্পন্সর। টিভি স্বত্ব থেকেও আসে মোটা অঙ্কের টাকা। এসব মাধ্যম থেকে এর আগে বিসিবির পকেট ভারী হতো বিদেশি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। তবে আশ্চর্যজনক বিষয় এসব উৎস থেকে বড় উপার্জন দেখানো হলেও বাস্তবতা নাকি ছিলো অন্তঃসারশূন্য!
 
বিসিবির বর্তমান কমিটির অধীনে ক্রিকেটে সাফল্য আছে। বিপরীতে ব্যর্থতার পাল্লাও খালি নয়। সন্নিকটে যখন আরো একটি নির্বাচন তখন অনেক হিসাব-নিকাশ উঠেই যায়।
পাপন এদিন বিসিবি বস হয়ে ওঠার গল্পও শুনিয়েছেন। ২০১২ সাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি হিসেবে মনোনীত হন তিনি। অন্য সবার মতো তিনিও বেশ অবাক হয়েছিলেন নিজের নাম শুনে। কুয়েতে রাষ্ট্রীয় এক সফরে বাবার সঙ্গে থাকাবস্থায় বিসিবির সভাপতি হিসেবে নিজের নাম শোনেন তিনি। 
 
বলেন, ‘বাবার রাষ্ট্রীয় সফরে সবসময় আমার বোনেরা যেত। কিন্তু কুয়েতের ওই সফরে তারা কেউ যেতে চাননি। তখন বাবা বললেন, তুমিই চলো। আমিও রাজি হয়ে গেলাম। কুয়েতে থাকাবস্থাতেই প্রথমে আমার বোন ফোন করে জানায়, ‘টিভিতে দেখাচ্ছে বিসিবি সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন নাজমুল হাসান পাপন!


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।