• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি

পাকিস্তান-ভারত ফাইনালের টিকিট সোল্ড আউট

Reporter Name / ১১০ Time View
Update : রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

প্রিয়জন ডেস্কঃ এবারের এশিয়া কাপ শুরুর আগে সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্ন ছিল– ভারত-পাকিস্তান তাদের নির্ধারিত ম্যাচে মুখোমুখি হবে কি না। কারণ ভারতজুড়ে তখন দুই দলের ম্যাচ বয়কটের ডাক দিয়েছিল একটি পক্ষ। যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ট্রেন্ডে পরিণত হয়। তবে টুর্নামেন্ট শুরু হতেই সেই বয়কট আন্দোলন ব্যর্থতার মুখ দেখে।

এসবের মাঝেই আজ রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর)এশিয়া কাপের ইতিহাসে প্রথমবার ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত-পাকিস্তান।

গণমাধ্যমের তথ্যমতে, এই ম্যাচের সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে (সোল্ড আউট)। পাক-ভারত লড়াইয়ের ভেন্যু দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। যেখানে দর্শক ধারণক্ষমতা ২৮ হাজার। এমন হাইভোল্টেজ ম্যাচের জন্য নির্ধারিত ভেন্যুর আসন কম বলে আলোচনা হতে পারে। তবে দুই দলই যে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খেলছে সে হিসেবে মেনে নিতেই হচ্ছে! একইসঙ্গে দুই সপ্তাহ আগে শুরু হওয়া বয়কটের আহবানও বিবেচ্য বিষয়।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের বরাতে ভারতীয় সংবাদসংস্থা এএনআই বলছে, গ্রুপপর্ব ও সুপার ফোর দু’বারই ভারত-পাকিস্তান দুবাইয়ের একই মাঠে খেলেছে। যেখানে ১৪ সেপ্টেম্বর তাদের প্রথম দেখায় মাঠে হাজির ছিল ২০ হাজার দর্শক। ২১ সেপ্টেম্বর হওয়া সুপার ফোরে কমে আসে দর্শকের সংখ্যা। সেদিন ১৭ হাজার দর্শক মাঠে হাজির ছিল। তবে ফাইনালের আগে নির্ধারিত ২৮ হাজার আসনের সব টিকিটই বিক্রি হয়ে গেছে।

১৯৮৪ সালে এশিয়া কাপের পথচলা শুরু। চলতি বছরের আসর দিয়ে চার দশক পূরণ করেছে এই টুর্নামেন্ট। দীর্ঘ পথচলায় ভিন্ন অনেক অভিজ্ঞতারই সাক্ষী মহাদেশীয় এই সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতা। এতকিছুর পরও একটা বিষয়ে আক্ষেপ রয়েই যাচ্ছিল। তবে সে আক্ষেপটা ঘুচে যাচ্ছে এবার। এশিয়া কাপে আগের ৪১ বছরে যা হয়নি, সেটাই হবে এবার। প্রথমবার ভারত-পাকিস্তান এশিয়া কাপের ফাইনাল খেলতে যাচ্ছে।

গ্রুপপর্বে তিন ম্যাচ জিতে সুপার ফোরে এসেছিল সূর্যকুমার যাদবের দল। সুপার ফোরেও ৩ ম্যাচের সবকটিতে জিতে তারা ফাইনালে উঠেছে। এবারের টুর্নামেন্টে টিম ইন্ডিয়া শিরোপা জয়ের দৌড়ে সবচেয়ে ফেভারিট তা নতুন করে বলাই বাহুল্য। মাঠেও খেলছে সেভাবেই। পাকিস্তান পুরো টুর্নামেন্টে ৬ ম্যাচের মধ্যে দুটিতে হেরেছে, দু’বারই তাদের প্রতিপক্ষ ছিল ভারত। দুই দলের পরিসংখ্যান ও পারফরম্যান্সের দিক থেকে পাকিস্তান পিছিয়ে থাকলেও, সাম্প্রতিক নানা কারণে এই ফাইনালের উত্তেজনা যে অনেক বেশি থাকবে সেটাও নিশ্চিত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।