‘ সরকার ভবন ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে আসছে’

‘ সরকার ভবন ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে আসছে’

রাজধানীসহ দেশের ভবন ব্যবস্থাপনায় সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে আসছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশের কয়েকজন রাজনীতিক ও সংগঠক। ভবন নির্মাণ তদারকিতে থাকা দায়্ত্বিশীল সংস্থাগুলোর কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তুলেন তারা। নির্মানাধীন ভবনগুলো বিল্ডিং কোড ও নিরাপত্তার নিয়মকানুন মানছে কিনা সে বিষয়ে অধিকতর তদন্ত হওয়া দরকার বলে তারা মনে করছেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাতে রাজধানীর বেইলি রোডের একটি বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। অগ্নিকাণ্ডে শুক্রবার (১ মার্চ) দুপুর পর্যন্ত ৪৬ জনের মৃত্যুর খবর এসেছে। এই ঘটনায় বিএনপি, জাসদ, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন আলাদা আলাদা বিবৃতিতে শোক জানিয়েছে।

শোকবার্তায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘দেশে আইনের শাসন না থাকলে দুর্ঘটনা ও বিপর্যয় ঘটতেই থাকে। কারণ সরকারকে জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হয় না। ফলে জনসমাজে নৈরাজ্য বিরাজ করে বলেই নানা দুর্ঘটনা ঘটে ও মানুষের প্রাণ ঝরে যায়। গতরাতে বেইলি রোডে বহুতল ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ও আহতদের স্বজনদের মতো আমিও গভীরভাবে ব্যথিত ও শোকাহত।’

বেইলি রোডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হতাহতের সংবাদে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন সভাপতি অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, নির্বাহী সভাপতি অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস ও সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমেদ।

বিবৃতিতে তারা বলেন, ‘ঢাকাসহ সারা দেশে নির্মাণাধীন ভবনগুলোতে যথাযথ বিল্ডিং কোড ও নিরাপত্তার নিয়মকানুন মানা হয় কিনা তা অধিকতর তদন্ত হওয়া দরকার। বেইলি রোডের যে ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলো তাতে যদি বিকল্প পথে নামার সুযোগ থাকতো তাহলে এত মানুষের জীবনহানি ঘটতো না বলে আমাদের কাছে প্রতীয়মান হচ্ছে।’

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু এবং সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার নিহতদের ক্ষতিপূরণ, আহতদের সুচিকিৎসার দাবি জানান। পাশাপাশি দুর্ঘটনাকবলিত ভবনটিতে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা ছিল কিনা, তাও খতিয়ে দেখার আহ্বান জানান তারা।