সন্ত্রাসীদের টার্গেটে আবারও পেন্টাগন

আবারও সন্ত্রাসীদের টার্গেটে পেন্টাগন। পেন্টাগনের পাশে বন্দুকধারীর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে পেন্টাগনজুড়ে থমথমে আতঙ্ক বিরাজ করছে। নিরাপত্তার জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের হেডকোয়ার্টারস।

আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এপির খবরে বলা হয়, মঙ্গলবার পেন্টাগনের পাশে মেট্রো স্টেশনে সন্ত্রাসীরা আচমকা গুলি চলতে শুরু করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কয়েক রাউন্ড ফায়ারিং হয়েছে। এ সময় নিরাপত্তারক্ষীরা এক ব্যক্তিকে গুলি করেন। ওই হামলাকারীর সবশেষ অবস্থা এখনও জানা যায়নি।
এদিকে পেন্টাগনের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এজেন্সি টুইটারে জানিয়েছে, ‘বর্তমানে পেন্টাগনে লকডাউন চলছে। ট্রানসিট পয়েন্টে গুলি চলার ঘটনার পর এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই এলাকা থেকে দূরে থাকুন।’
২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর। জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদার সঙ্গে জড়িত ১৯ জঙ্গি চারটি উড়োজাহাজ ছিনতাই করে আত্মঘাতী হামলা করেন যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি জায়গায়। দুটি উড়োজাহাজ আঘাত হানে নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার বা টুইন টাওয়ারে। তৃতীয় উড়োজাহাজটি আক্রমণ করে পেন্টাগনে। আর চতুর্থ বিমানটি পেনসিলভানিয়ায়। ভয়াবহ এই হামলায় প্রাণ হারান প্রায় তিন হাজার মানুষ।
এছাড়া গত এপ্রিল মাসে মার্কিন সংসদ ভবন তথা ক্যাপিটল হিলে হামলা চালানো হয়েছিল। মার্কিন ক‌ংগ্রেসের ভবনটির কাছে পুলিশদের প্রচণ্ড গতিতে ধাক্কা দেয় একটি গাড়ি। ওই হামলায় মৃত্যু হয় এক পুলিশ কর্মকর্তার। এ ঘটনার পর ক্যাপিটল বন্ধ করে দেয় ন্যাশনাল গার্ডস।
ক্যাপিটল পুলিশ জানায়, বিল্ডিংয়ের উত্তরের ব্যারিকেডে প্রচণ্ড গতিতে ধাক্কা মারে একটি নীল রঙের সেডান। হামলায় আহত হন দুই পুলিশ। সেটির চালক ছুরি হাতে গাড়ি থেকে বেরোনোর চেষ্টা করে। তখন পুলিশের গুলিতে আহত হয় সে। পরে হাসপাতালে মৃত্যু হয় তার। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যান আহত পুলিশকর্মী। ঘটনার কিছুক্ষণ আগেই হোয়াইট হাউস থেকে ক্যাম্প ডেভিডে যান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ঘটনার তদন্তে ক্যাপিটল পুলিশকে সাহায্য করছে এফবিআই।