সংখ্যাগরিষ্ঠতার অর্থ কি ভারতের ভবিষ্যত নির্ধারণে সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ ?

সংখ্যাগরিষ্ঠতার অর্থ কি ভারতের ভবিষ্যত নির্ধারণে সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ ?

ভারতের কিছু এক্সিট পোল বা বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, এবারের নির্বাচনের ফলাফলে সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে পারেন মোদি ও তার দল ভারতীয় জনতা পার্টি বিজেপি। এমনটি হলে ২০১৯ সালের নির্বাচনের তুলনায় এবার আরও শক্তিশালী বিজয় অর্জন করবেন তারা। তবে বিজেপি যদি এমন একটি ঐতিহাসিক জয় অর্জন করে তাহলে ভারতের ভবিষ্যতে এর প্রভাব ও পরিণতি কি হতে পারে এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, অনেকেই আশঙ্কা করছেন, সংসদে দুই ‍তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে ভারতের সংবিধান সংশোধনের ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে সক্ষম হবে বিজেপি। এই সংবিধানে বর্তমানে ভারত একটি ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, যেখানে সব ধর্মকে সমান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

তবে এক দশক ধরে ভারতের ক্ষমতায় থাকাকালীন হিন্দু জাতীয়তাবাদী এজেন্ডা অনুসরণ করেছেন মোদি ও তার দল বিজেপি। হিন্দু জাতীয়তাবাদ এমন একটি আদর্শ প্রকল্প যেটি মনে করে, ধর্মনিরপেক্ষ নয়, বরং ভারতকে একটি হিন্দু রাষ্ট্র হওয়া উচিত।

বিরোধীরা বলছেন, বিজেপি আবারও ক্ষমতায় এলে তাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হবে সংবিধান থেকে ধর্মনিরপেক্ষতার অনুচ্ছেদগুলো চিরতরে মুছে ফেলা। বিশেষ করে সংখ্যালঘুদের জন্য ভারতকে পুনর্নির্মাণের নাম করে এ কাজটি করবে তারা।

সংবিধান পরিবর্তনের পরিকল্পনা করার এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মোদি। তবে নির্বাচনি প্রচারের সময় বেশ কয়েকজন বিজেপি প্রার্থী হিন্দু জাতির রাষ্ট্র হিসেবে ভারতকে রক্ষার জন্য সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।