যে কারণে আবারও মাঠে নামল বাংলাদেশ

ব্রিসবেনের গ্যাবায়ে রোববার জিম্বাবুয়েকে মাত্র ৩ রানে হারিয়ে সেমিফাইনালের আশা জিইয়ে রাখলেন টাইগাররা।

টান টান উত্তেজনা ও শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচের শেষ ওভারটি ছিল নাটকে ঠাসা। বিশেষ করে শেষ বলের নাটক হয়তো ক্রিকেটে এর আগে দেখেনি কেউ। সে এক চরম উত্তেজনা, হতাশা আর জয়ের উচ্ছ্বাসের মিশেলে একাকার।

শেষ বলে কিপার নুরুল হাসান সোহানের ভুলে হারতেই বসেছিল বাংলাদেশ। মোসাদ্দেকের বলে উইকেট ছেড়ে বেরিয়ে এসে খেলার চেষ্টায় স্টাম্পড হয়ে যান ব্লেসিং মুজারাবানি।

৪ রানে জয়ের উল্লাসে মাতে বাংলাদেশ। দুই দল মাঠ ছেড়েও চলে যায়। পরে রিপ্লেতে দেখা যায় স্টাম্পের আগেই বল ধরেছেন কিপার নুরুল হাসান সোহান। ‘নো’ বল!

তাতে আবার দুই দলকে নামতে হয় মাঠে।

জয়ের জন্য প্রয়োজন ১ বলে ৪ রান। সেই বলেও রান নিতে পারেননি মুজারাবানি।  উচ্ছ্বাস বয়ে উঠে গ্যালারির বাংলাদেশ সমর্থকদের মধ্যে।

কেন নো বলের সিদ্ধান্ত দিলেন থার্ড আম্পায়ার? ম্যাচ জিতলেও এ নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই বাংলাদেশি সমর্থকদের।

ক্রিকেটবোদ্ধারা জানিয়েছেন, ক্রিকেটের আইন প্রণয়নকারী সংস্থা এমসিসির নীতিমালায় ২৭.৩.২-এর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বলটিকে নো কল করা হয়েছে।

ওই আইনে স্পষ্ট করে বলা আছে, বোলার বল ছাড়ার পর সেটি ব্যাটার খেলার আগে অথবা স্টাম্প অতিক্রম করার আগে উইকেটরক্ষক ধরতে পারবেন না। যদি তিনি ধরে থাকেন তা হলে বল হয়ে যাওয়ার পরে ‘নো’ বল ডাকবেন আম্পায়ার।

সেই নিয়মের কারণে পপিং ক্রিজের বাইরে থাকলেও স্টাম্পিংয়ের হাত থেকে বেঁচে যান মুজারাবানি। বড়পর্দায় ভেসে ওঠে নট আউটের সিদ্ধান্ত। আর সোহান বল স্টাম্পের আগে ধরায় মাঠের আম্পায়ার ইশারা দেন ‘নো’ বলের। যার সৌজন্যে ফ্রি হিটও পেয়ে যায় জিম্বাবুয়ে।

রিপ্লেতে তা-ই দেখা গেছে।  উত্তেজনাবশত, সোহান তার গ্লাভ উইকেটের সামনে নিয়ে এসে বল ধরে ফেলেছেন।

Related Posts