আবারও উত্তেজনা তৈরি হলো দুই কোরিয়ার মধ্যে

দীর্ঘ এক বছর পর দুই দেশের মধ্যে হটলাইন চালুর হলেও আবারো উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়ার বিষয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে পিয়ংইয়ং। উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং বলেছেন, কোরীয় উপদ্বীপে সামরিক মহড়ার আযোজন করা হলে কঠোর হাতে তার প্রতিহত করা হবে। ১৯৫০ সাল থেকে ১৯৫৩ সালের কোরীয় যুদ্ধের পর থেকে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সামরিক উত্তেজনা বিরাজ করছে। এই উত্তেজনায় সব সময় সিউলের পাশে থেকেছে যুক্তরাষ্ট্র। দীর্ঘদিনের সীমান্ত উত্তেজনা নিরসনে ২০১৮ সালের এপ্রিলে পানমুনজমে দুই দেশের শীর্ষ নেতা বৈঠকে মিলিত হলেও আসেনি কোনো সমাধান।

ওই বৈঠকের দুই দেশের সীমান্ত উত্তেজনা কিছুটা কমলেও পিয়ংইয়ংয়ের পরমাণু কর্মসূচি ও সিউলের সামরিক মহড়া পুনরায় দুই দেশের মধ্যে তিক্ত সম্পর্ক দেখা দেয়। বন্ধ হয়ে যায় হটলাইন। দীর্ঘ এক বছর দুই দেশের মধ্যে ফের হটলাইন চালুর ঘোষণা দেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। ওই পদক্ষেপের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারের ঘোষণা দেয় পিয়ংইয়ং। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়া আয়োজনের খবরে ফের দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম কেসিএন-এর খবরে বলা হয়, কোরীয় উপদ্বীপে সিউল যৌথ সামরিক মহড়ার আয়োজন করলে কঠোরভাবে তা দমন করা হবে। কিম ইয়ো জং বলেন, আমাদের সরকার দক্ষিণ কোরিয়ার তৎপরতা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। তারা যদি আবারো সামরিক আগ্রাসন শুরু করে তাহলে কঠোরভাবে তা দমন করা হবে। আশা করি, তারা এ ধরতেনর তৎপরতা থেকে বিরত থাকবে। উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই দফা বৈঠকে বসলেও কোনো সুফল বয়ে আসেনি। সংকট সমাধানে ট্রাম্প আলোচনার পথে হাঠলেও আপাতত সেই পথে যাচ্ছে না বাইডেন প্রশাসন।