করোনার প্রথম ডোজ ৭৬ হাজার শিক্ষার্থী নিয়েছেন

করোনা সংক্রমণের কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হলো, আবাসিক হলে থাকা শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়ার পর শ্রেণিকক্ষে ক্লাস শুরু করা হবে। এখন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭২ হাজার ২৫৭ জন এবং চিকিৎসাশিক্ষার ৩ হাজার ৬৬২ জন শিক্ষার্থীকে প্রথম ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্রায় দুই হাজার শিক্ষার্থী দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিয়েছেন।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশের সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত ৩৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ (কলেজগুলো বাদে) থেকে গত ৩১ মে পর্যন্ত মোট এক লাখের বেশি আবাসিক শিক্ষার্থীর তালিকা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএসে দেওয়া হয়। তবে এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মোট শিক্ষার্থী প্রায় তিন লাখ।  তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে এখনো অধিকাংশ শিক্ষার্থীই টিকার আওতার বাইরে। এ ছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোর প্রায় ২৯ লাখ শিক্ষার্থী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজের প্রায় দুই লাখ শিক্ষার্থীর টিকা দেওয়া এখনো শুরু হয়নি। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষে ক্লাস শুরুর বিষয়টি এখনো অনিশ্চিতই রয়ে গেল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র আশিকুল ইসলামের বাড়ি ঢাকার অদূরে সাভারে। গত ২৯ জুলাই তিনি সাভারে করোনার প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছেন। তিনি পেয়েছেন সিনোফার্মের টিকা। এখন দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষা করছেন। তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রথমে তাদের তালিকা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠায়। এরপর তিনি টিকার নির্ধারিত অ্যাপে নিবন্ধন করে টিকা নিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য দিল আফরোজা বেগম গতকাল রোববার বলেন, টিকার জন্য তারা শিক্ষার্থীদের তালিকা পাঠাচ্ছেন। শিক্ষার্থীরা টিকাও নিচ্ছেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয় কবে খুলবে, সে বিষয়ে এখনো শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা পাননি।